স্টাফ রিপোর্টার : দোহার নবাবগঞ্জের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফরম পূরণ বাবদ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি’র বাইরেও নেওয়া হচ্ছিল বিভিন্ন খাত দেখিয়ে অতিরিক্ত টাকা। যা প্রদান করতে অস্বীকৃতি প্রকাশ করে বেশকিছু সচেতন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ। অভিভাবকেরা স্থানীয় সাংবাদিকদেরকে বিষয়টির সম্পর্কে অবহিত করলে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় এবং ঐ সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের থেকে বিষয়টির সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়েও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিকট থেকে ঘটনার সত্যতা যাচাই করা হয়। প্রতিবেদন প্রকাশের পর এতে স্কুলগুলোর প্রধান শিক্ষকসহ কর্তৃপক্ষের টনক নড়ে এবং তারা বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফি নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করে। মুকসুদপুর শামসুদ্দিন শিকদার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, আমরা কয়েকজন শিক্ষার্থীদের থেকে বোর্ড ফি’র বাইরে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ফি বাবদ টাকা নিয়েছিলাম। পরবর্তীতে তাও ফেরত দিয়েছি। একইসাথে তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের প্রায় ১৪/১৫ জন ছাত্র বোর্ড ফি’টাও দিতে পারছে না। তাদের ফি দেওয়ারও কেউ নেই। কবি নজরুল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির মানবিক বিভাগের এক শিক্ষার্থী জানান, ফরম পূরণ বাবদ আমাদের থেকে প্রথমে অতিরিক্ত কিছু টাকা নেওয়া হয় পরে অতিরিক্ত টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে।
এদিকে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্র ভিন্ন লক্ষ্য করা গেছে। মালিকান্দা মেঘুলা স্কুল ও কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের থেকে এক ছাত্র জানান, আমাদের ফরম পূরণ বাবদ বোর্ড নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত ফি নেয়নি। জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক বলেন, বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফির বাইরে যে যাই নিকনা কেনো, আমরা নেই না। আমরা নির্ধারিত বোর্ড ফি’ই আদায় করেছি।
