শ্রীনগরে সরকারি রাস্তার সংস্কার কাজে বাধা, ভোগান্তিতে একাধিক পরিবার

এমএ কাইয়ুম মাইজভান্ডারী,(মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি : মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে সরকারী পুকুর পাড়, বাড়ী সীমানাসহ সরকারী রাস্তায় বেড়া দিয়ে দখল করে রাস্তা সংস্কার কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার কুকুটিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পশ্চিম নওপাড়া সাত্তার শেখের বাড়ী হতে কাশেম শেখের বাড়ী পর্যন্ত সরকারী রাস্তা বেড়া দিয়ে দখল করে সংস্কার কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ উঠে ঐ এলাকার মৃত শাহিন শেখের ছেলে মিনহাশ শেখের বিরুদ্ধে। এতে ভুক্তভোগী একাধিকবার পরিবারসহ স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,সাত্তার শেখের বাড়ী হতে আবুল কাশেম শেখের বাড়ী পর্যন্ত একুয়ারের সরকারী রাস্তাটি প্রায় ৫০ বছরের পুরনো। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার একাধিক পরিবার ঐ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে আসছে। গত এক বছর পূর্বে মিনহাশ শেখ রাস্তার সংলগ্ন কিছু অংশ ক্রয় করে রাস্তার জায়গাসহ দখলে নিয়ে টিনের বেড়া নির্মাণ করেন। সম্প্রতি সরকারী বরাদ্দে রাস্তা সংস্কারের কাজ আসলে তিনি সংস্কার কাজে বাধা সৃষ্টি করেন।

ভুক্তভোগী একাধিক পরিবার অভিযোগ করে বলেন, মিনহাশ শেখ আমাদের যাতায়াতের রাস্তা আটকিয়ে বেড়া নির্মান করেছে এবং সে সরকারী পুকুর পাড়সহ বৃদ্ধা রাজু বেগমের বসতবাড়ীর সীমানা দখল করে আমাদের রাস্তার করতে বাধা সৃস্টি করছে। এতে আমরা ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েছি।

জমি বিক্রয়কারী আমির হোসেন বলেন, গত এক বছর পূর্বে চাচাতো ভাই মিনহাশের কাছে আমার জমি বিক্রয়ের সময় রাস্তার জায়গায় ছেড়ে সীমানা মেপে দিয়ে আসছি। এখন মিনহাশ ঐ সীমানা ছেড়ে রাস্তার জায়গা দখল করে টিনের বেড়া দেয় এবং সংস্কার করতে বাধা দিচ্ছে।

সরকারী রাস্তা সংস্কার কাজে বাধা দেয়ার ব্যাপারে অভিযুক্ত মিনহাশ শেখ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তার কাজ আনার পর মেম্বার আমাকে জানালে আমি জানাই মাপঝোগ করে রাস্তা করেন। আমি রাস্তার দক্ষিন পাশে জাকির কাকা ওয়ালের ভিতরে জায়গা পাবো।  আপনি মাপযোগ করে সেই জায়গা আমাকে বের করে দিয়ে রাস্তা করেন।

 স্থানীয় ইউপি সদস্য তাজুল ইসলাম বলেন, আমি সরকারী বরাদ্দে এই রাস্তার সংস্কার করতে গেলে মিনহাশ শেখ কাজে বাধা দেয়। আমি ১শ ৩০ ফুট রাস্তার সংস্কার করতে পেরেছি বাকি ৭০ ফুট রাস্তা বাধা দেয়ার কারণে করতে পারি নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *