শেখ হাসিনার প্রেমে মরিয়া ভারত : দোহারে রুহুল কবির রিজভী

শেখ হাসিনার লাল এবং সবুজ কোনো পাসপোর্টই নেই। বাংলাদেশ সরকার তা বাতিল করে দিয়েছে, তবে কিসের ভিত্তিতে হাসিনার ভিসার মেয়াদ বাড়ালো ভারত? ভারত মনে হচ্ছে শেখ হাসিনার প্রেমে মরিয়া হয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) ঢাকার দোহার উপজেলার জয়পাড়া কলেজে নবীন বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ মন্তব্য করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, শেখ হাসিনা পাড়া মহল্লা থেকে শুরু করে বাংলাদেশের এমন কোনো জায়গা নেই তিনি মাস্তানি করেননি। তার জন্য বাংলার মানুষ মুখ খুলতে পারতো না। তিনি বাংলাদেশ থেকে ২৮ লক্ষ কোটি টাকা পাচার করে এক মহাচোর বনে গেছেন। তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা এদেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দেয়নি। তার জনগণের দরকার ছিলো না, ভোটের দরকার ছিলো না।  তিনি মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছিলেন, তার নিজের মতো করে দেশ চালিয়েছেন। তিনি তার বাবার মতই দেশে বাকশাল তৈরি করতে চেয়েছিলেন।
শেখ হাসিনাকে হত্যাকারী উল্লেখ করে স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, হাসিনা শিশু, তরুন, এমনকি ছাত্র ছাত্রীদের হত্যা করেছেন। এই হত্যাকারীকে বাংলার জমিনে আর স্থান দেওয়া হবে না। বাংলার জনগণ হাসিনাকে আর মেনে নিবে না। এই বাংলার জমিনেই জনগণ হাসিনার বিচার করবে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ইউনুস সরকার আপনি দেশ সংস্কার করছেন, করেন তবে ভ্যাটের উপর ভ্যাট দিয়ে সাধারণ মানুষকে শেষ করে দিয়েন না। আপনারা যদি  ইচ্ছামত ভ্যাট বৃদ্ধি করেন বাংলার মানুষ মেনে নিবে না। এতে আপনাদের পরিনতি কিন্তু ভয়াবহ হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা বেবী নাজনীন বলেন, এখন থেকে ছাত্রদের নিয়ে আমাদের এগিয়ে চলা।  তারেক রহমানের ৩১ দফা সংস্কারে ছাত্রদেরকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরো বলেন, নবীনরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তাদেরকে দেশের কল্যাণে সবার সামনে থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন নাসির বলেন, ছাত্রদলের অনেক ইতিহাস রয়েছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ এর গণ অভ্যুত্থান পর্যন্ত ছাত্রদলের ভূমিকা ছিলো অবিস্মরনীয়।

জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সৌমিক ভুইয়ার সভাপতিত্বে ও  সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান খান আসাদের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক। আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গিয়াস উদ্দিন, জাজাস কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন মোল্লা, দোহার উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মেছের, সাধারণ  সম্পাদক  মাসুদ পারভেজ, নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাধারণ  সম্পাদক  খন্দকার আবুল কালাম, ঢাকা জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি হাসেম বেপারি, বিএনপি নেতা অ্যাড. আতিকুর রহমান সোহান, জয়পাড়া কলেজের অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সাধারণ  সম্পাদক  শফিকুল ইসলাম নিরবসহ বিএনপি ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *