দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলার বিলাসপুর এলাকায় বাদশা মাঝি ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য এবং স্থানীয় আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মাদকসেবন ও মাদক বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্বজনদের কয়েকজন। তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।
অভিযোগকারীদের দাবি, বিলাসপুর এলাকার বাবলু মাঝি, পিতা, বাদশা মাঝি বাদশা মাঝি নিজে; রেখা মেম্বারের ছেলে রাহেম মোল্লা ও ইব্রাহীম মোল্লার বিরুদ্ধে মাদকসেবন ও মাদক বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযোগ করেছেন বাবলু মাঝির আপন দাদা মোতালেব মাঝি, বিলাসপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে পরিচয়দানকারী শাহজাহান মাঝি, মোজাফফর মাঝি এবং দোহার উপজেলা শ্রমিক দলের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয়দানকারী শাহজাহান ফকির।
গতকালের বক্তব্য নিয়ে পাল্টা অভিযোগ
অভিযোগকারীরা আরও দাবি করেন, গত ৩০ আগস্ট বাদশা মাঝি গংয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তিকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের অভিযোগ, নিজেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আড়াল করতে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যেই ওই বক্তব্য দেওয়া হয়েছে।
তাদের ভাষ্য, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তাই প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি
স্থানীয়দের একাংশের দাবি, মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর হওয়ায় কোনো পক্ষের বক্তব্যের ওপর নির্ভর না করে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া এবং অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা প্রশাসনের বক্তব্যও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
