বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে- কৃষিমন্ত্রী

Go back

Your message has been sent

Warning
Warning
Warning
Warning

Warning.

মো.রকিবুল হাসান বিশ্বাস,সিংগাইর (মানিকগঞ্জ)থেকে: বাড়ি-ঘর,কল-কারখানা গড়ে উঠায় কমছে কৃষি জমি। প্রতি বছর দেশে নতুন করে ২০-২৫ লাখ শিশু জন্ম নিচ্ছে। বাড়তি জনগোষ্ঠির জন্য খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে হবে। নিজের খাদ্য নিজেরা উৎপাদন করতে না পারলে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে। তাই বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌর এলাকার কাশিমনগরে ব্রী-ধান ৮৯-৯২ এর বীজ উৎপাদন মাঠ পরিদর্শনকালে কৃষি মন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক এমপি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, আমরা ছোট সময় দেখেছি দেশে বিঘায় ৩-৫ মণ ধান উৎপাদন হতো। বর্তমানে উচ্চ ফলনশীল জনপ্রিয় জাত ব্রি-ধান ২৮ ও ২৯ সর্বত্র চাষ হয়। তার চেয়ে বেশি ফলনশীল জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে যার ফলন বিঘা প্রতি ৩০-৩৩ মণ।

মন্ত্রী বলেন, এদেশের কৃষকরা হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করেন। সরকার সার,বীজ ও বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়ে কৃষকদের পাশে আছেন। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী সব সময় বলেন- নিজেদের খাদ্য নিজেদের উৎপাদন করতে হবে। এতে দেশ হবে খাদ্যে স্বয়ং সম্পন্ন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-কৃষি মন্ত্রাণালয়ের সচিব সায়েদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেনজির আহম্মেদ, জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফ, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহ ও সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিপন দেবনাথ প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *