ফ্যাশনে অন্যের দেখানো স্টাইল নয়, চলুন নিজস্ব স্টাইলে

সেমি ফরমাল আউটফিট : বর্তমান ফ্যাশন ট্রেন্ডেও চলছে কালার কন্ট্রাস্ট আউটফিট। সেই দিকটা লক্ষ রেখে একটি কালো বা সাদা শার্টের সঙ্গে কন্ট্রাস্ট প্যান্ট এবং মানানসই বেল্টে আকর্ষণীয়ভাবে নিজেকে উপস্থাপন করা সম্ভব। মেয়েদের ক্ষেত্রে এর সঙ্গে চাইলে ওপর একটি অন্য রঙের শ্রাগ বা কোটি যোগ করে পুরো লুকটাকে পাল্টে দিতে পারেন। আর সেটা হয়ে উঠবে নজরকাড়া, অনবদ্য।

পার্টি ওয়্যার : পার্টি ওয়্যারকে বলা হয় ট্রেন্ড ব্রেকার। অর্থাৎ পার্টিতে আপনার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায়, এমন যেকোনো কিছুই আপনি পরতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ক্লোজেটে জমানো শার্টগুলো পরতে পারেন স্কার্ট দিয়ে। ট্রেন্ডি ফ্যাশনে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের স্কার্ট। এর সঙ্গে পরুন স্টিলেটো অথবা বুট। পাশাপাশি ম্যাচিং বা কন্ট্রাস্ট অ্যাকসেসরিজ আপনাকে দেবে ক্ল্যাসিক বা রেট্রো লুক।

ট্র্যাডিশনাল আউটফিট : ট্র্যাডিশনাল আউটফিটের সঙ্গেও মানাসই শার্ট, তবে তা শুধু মেয়েদের জন্য। এ বিষয়ে অবশ্য অনেকেই কিছুটা বিস্ময় প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু ব্লাউজের পরিবর্তে এখন শার্টের ব্যবহার বেশ ট্রেন্ডি, যা রেগুলার বেসিক শাড়ির সজ্জাকে আমূল বদলে দেয়। সুতরাং ট্র্যাডিশনাল শাড়ির স্টাইল যাঁদের কাছে বোরিং, তাঁরা ক্লোজেটে শাড়ি ফেলে না রেখে পেয়ারআপ করতে পারেন পছন্দের শার্ট, ক্রপটপ, এমনকি টি-শার্টের সঙ্গে। এই সাজে মাত্রা আনতে পরতে পারেন কন্ট্রাস্ট বা ট্রেন্ডি বা স্টেটমেন্ট জুয়েলারি, যা আপনার স্টেটমেন্টকে দেবে মডার্ন টুইস্ট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *