প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

গত ২১ শে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ তারিখে সাপ্তাহিক জাগ্রত জনতা পত্রিকার প্রকাশিত জয়পাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়কে উদ্দেশ্য করে বিদ্যালয় হতে বাড়তি বেতন ভাতা উত্তোলনের অভিযোগ শিরোনামে যে সংবাদ ছাপা হয়েছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ২০১৮ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর জয়পাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়টি সরকারি ঘোষণা করা হয়েছে। বিদ্যালয় সরকারি ঘোষণার পর হতে ২০২০ সালের জুন মাস পর্যন্ত শিক্ষকগণ তাদের প্রাপ্য বেতন পেয়ে আসছিলেন। কিন্তু ২০২০ সালের করোনা মহামারীর কারণে তৎকালীন প্রধান শিক্ষক জনাব এস.এম খালেক বিদ্যালয়ের ফান্ড এর টাকা কম দেখিয়ে শিক্ষকদের প্রাপ্য টাকা না দিয়ে মূল বেতনের ৮০% টাকা প্রদান করেন।

উল্লেখ্য যে তিনি সকল শিক্ষকদের (নন-এমপিও) অন্যান্য সকল প্রকার ভাতাও বন্ধ করে দেন। তবে পরবর্তী সময়ে বিদ্যালয়ের ছাত্র বেতন আদায় স্বাভাবিক হলেও তিনি আর পূর্বের বেতন প্রদান করেননি। এতে করে শিক্ষকগণ (নন-এমপিও) মানবেতর জীবন যাপন করছেন এবং ঋণগ্রস্থ হয়ে পরছেন। বর্তমানে বিদ্যালয়ের ফান্ডে প্রয়োজনীয় টাকা থাকায় সকল শিক্ষক ২০২০ সালের জুন মাস পূর্ববর্তী বেতন ভাতার আবেদন করলে, আমি বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মোস্তাক আহাম্মদ খন্দকার ২০২০ সালের জুন মাসের ন্যায় বেতন ভাতা প্রদান করি। আমি কোনো বাড়তি বেতন ভাতা প্রদান করিনি। সুতারাং অভিযোগটি সম্পূর্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

আমি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর বার্ষিক পরীক্ষা ২০২৪, অভিভাবক সমাবেশ ২০২৫ ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ২০২৫ এর সকল খরচের জন্য আলাদা আলাদা উপকমিটিকে দায়িত্ব প্রদান করলে তারা পাকা ভাউচার এর মাধ্যমে যাবতীয় খরচ করেন। জনাব সালাহ উদ্দিন আহমেদ ও জনাব জসিম উদ্দিন সকল ভাউচার যাচাই বাছাই করে উপস্থাপন করলে আমি তার অনুমোদন দেই এবং দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার তাতে স্বাক্ষর করেন।

ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়ের সুনাম নষ্ট ও আমাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এ ধরণের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছেন। যার কোনো সত্যতা নেই। উক্ত সংবাদ দাতা আমার সাথে কোনো যোগাযোগ ও যাচাই বাছাই না করে সংবাদটি প্রকাশ করেছেন। এব্যাপারে প্রকাশিত সংবাদটির আমি প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। — ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, মোহাম্মদ মোস্তাক আহাম্মদ খন্দকার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *