পুলিশ সদস্যদের সন্দেহ হলে করানো হচ্ছে ডোপ টেস্ট

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সড়ক ও নৌপথে বরিশালে ঢুকছে মাদকের চালান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে প্রায়ই ধরা পড়ছে মাদকদ্রব্য। তবে খোদ পুলিশের মধ্যেই অনেকে জড়িয়ে পড়ছে মাদকসেবনের মতো অপরাধে।সম্প্রতি ডোপ টেস্টের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ বিভাগ। চলতি বছর মাদক গ্রহণের কারণে বিভিন্ন পদের ৪ জনকে চাকরিচ্যুত এবং আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মো. শাহাবুদ্দিন খান বলনে, ‘আমরা কোনোভাবেই ছাড় দিচ্ছি না। পুলিশ সদস্যরা সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করবে। সেই পুলিশ সদস্য কোনোভাবে মাদকের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে না।’পুলিশের কোনো সদস্যকে সন্দেহ হলে তাকে করানো হচ্ছে ডোপ টেস্ট। বিষয়টি সর্বোচ্চ কর্মকর্তারা তদারকি করেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মোহাম্মদ সালেহ বলেন, ‘পুলিশের কোনো

সদস্যকে সন্দেহ হলে আমরা ডোপ টেস্ট করিয়ে থাকি। এই ডোপ টেস্ট প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জড়িত থাকে। এখানে কারোর ন্যায়বিচার ব্যাহত হয় না।পুলিশের শুদ্ধি অভিযানে এই কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছে সুশীল সমাজ।বরিশাল সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক শাহ সাজেদা বলেন, ‘ডোপ টেস্টের বিষয়টি খুবই প্রশংসনীয়। এই ডোপ টেস্টের মাধ্যমে যাদের রেজাল্ট পজিটিভ এসেছে তাদের মধ্যে কিছুসংখ্যক পুলিশ সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।চলতি বছর বরিশাল মেট্রোপলিটনে পুলিশের ৪৮ জন সদস্যকে ডোপ টেস্ট করানো হয়। এর মধ্যে ১৭ জন পজিটিভ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *