নবাবগঞ্জে বঙ্গবন্ধুর আগমনের ৫০ বছরপূর্তি ও জন্মশতবর্ষ  মূর‍্যাল উন্মোচন

মো. নাজমুল হোসেন : ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বঙ্গবন্ধুর আগমনের ৫০ বছর পূর্তি স্মরণে আলোচনা সভা ও মুজিব জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশের মহান স্থাপতি জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের মূর‍্যাল উন্মোচন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে দিনটি উপলক্ষে প্রথমে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ হতে শুভাগমন  স্মরণে একটি র‍্যালি বের করা হয়। র‍্যালিটি উপজেলা পরিষদ ফটক থেকে শুরু হয়ে স্বাধীনতা ভাস্কর্য প্রদক্ষিণ  করে উপজেলার আব্দুল ওয়াছেক মিলনায়তনে আলোচনা সভায় মিলিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমান এমপি। অনুষ্ঠানে তিনি ভার্চুয়াল পদ্ধতির মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন এবং মূর‍্যাল উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলুর সভাপতিত্বে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহকর্মী সাবেক গণপরিষদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি আবু মােহাম্মদ সুবিদ আলী টিপু, সাবেক সাংসদ ও প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হারুন উর-রশীদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ.এম.সালাউদ্দীন মঞ্জু।

এসময় বক্তারা বলেন, ১৯৭০ সালে আজকের এই দিনে বাংলাদেশের রাখাল রাজা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নবাবগঞ্জের মাটিতে পা রেখে ছিলেন। স্মৃতি কথা টেনে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু লঞ্চে করে নবাবগঞ্জে এসেছিলেন। তখন লঞ্চের ঢেউয়ে বসত বাড়ি ভেঙ্গে যাচ্ছিলো তা দেখে স্থানীয় নেতা কর্মীদের সাথে পরামর্শ করে তিনি একটি খাল খননের ব্যবস্থা করে দেন। বর্তমানে সেটি টিপু খাল হিসেবে পরিচিত। বঙ্গবন্ধু যেখানেই যেতেন সেখানেই তিনি তার চিহ্ন রেখে যেতেন। এটি নবাবগঞ্জবাসীর জন্য বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি চিহ্ন।  বক্তারা  আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু আসবে তার সম্মানে একটি তোরণ বানানো হয়েছিলো। কিন্তু রাতেই সেই তোরণ আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। বক্তারা বলেন, মুজিব মঞ্চে উঠার আগেই পুরো প্যান্ডেল হাজারো লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়। কেউ ডিঙি নৌকা, কেউ বাইচের নৌকা আবার কেউবা সাতরিয়ে নেতাকে এক নজর দেখতেও জনসভায় যোগ দেন।

অনুষ্ঠানে নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা বিডিআরবি চেয়ারম্যান দেওয়ান আওলাদ হোসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার শাহ মো. আবু বকর সিদ্দিক, ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল, ওয়াদুল মিয়া, ড. শাফিল উদ্দিন মিয়া,  হিল্লাল মিয়া, তপন মোল্লা, দেওয়ান তুহিনুর রহমান, রিপন মোল্লা, ইঞ্জি. আরিফুর রহমান শিকদার, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নূর আলম,  আওয়ামীলীগ নেতা মীর আরিফ হোসেন,  স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা,  পলাশ চৌধুরী,  মো. পলাশসহ বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *