নিজস্ব প্রতিবেদক : নবাবগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপজেলার বক্সনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ বালুর গ্রামের দিনমজুর মো. শুকুর আলী (৪০) কে পিটিয়ে আহত করেছে বালুরচর গ্রামের রমিজ আলী (মুক্তি) (৪৮) গংরা। শুক্রবার বেলা ১১টায় বালুরচর এলাকায় হালিমের দোকানের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শনিবার দুপুরে শুকুরের ছেলে মো. হৃদয় বাদী হয়ে নবাবগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। আহত শুকুর আলীকে চিকিৎসার জন্য নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রাখা হয়েছে।
আহত শুকুর আলী অভিযোগ করে বলেন, আমি আমার চাচাতো ভাই শুরগঞ্জ জলিলের কাঠের দোকানে বসে নিজ গ্রামে মসজিদ নির্মাণের ব্যাপারে আলাপ আলোচনা করছিলাম। এমন সময় গ্রামের রমিজ আলী (মুক্তি) এসে আমাদের আলোচনা শুনে বলে দক্ষিণ বালুরচরের মানুষ হতদরিদ্র ঠিকমত খেতে পড়তে পারেনা তারা দিবে মসজিদ এই বলে বাকবিতন্ড হয়। পরে যে যার মতো চলে গেলে আমি আমার ছোট ছেলের শীতের কাপড় নিয়ে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে বাই সাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলাম। বালুরচর হালিমের দোকানের সামনে গেলে পরে রমিজ আলী স্থানীয় সুরুজ মিয়া, সুমন, ও খোকনকে সাথে নিয়া আমার গতিরোধ করে। পরে তারা আমাকে লাকড়ী দিয়া এলোপাথারী ভাবে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা ও রক্তাক্ত জখম করে।
শুকুর বলেন খবর পেয়ে আমার ছেলে হৃদয় ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং আমাকে মারতে দেখে ডাকচিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন আগাইয়া আসলে পরে ওরা আমাকে ও আমার ছেলেকে প্রান নাশের হুমকি দিয়া চলিয়া যায়। এই নিয়ে ওরা দুই দফায় আমাকে পিটিয়ে আহত করে এবং আমার সাইকেলটি নিয়ে যায়।
শুকুর আলীর বড় ছেলে মো. হৃদয় বলেন, আমার বাবা একজন দিনমজুর নিরীহ মানুষ মাছ ধরা থেকে শুরু করে হাতের কাছে যখন যা পায় কাজ করে খায়। যারা আমার বাবাকে অন্যায় ভাবে পিটিয়ে আহত করেছে ওরা খুব খারাপ প্রকৃতির আমি ওদের বিচার চাই।
নবাবগঞ্জ থানার পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মশিউর রহমান খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি সরেজমিনে তদন্ত সাপেক্ষে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
