নিজস্ব প্রতিনিধি : ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সদ্য তাবলীগ জামায়াত থেকে আসা একব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য দপ্তর বলছে এলাকা লকডাউন করা প্রয়োজন তবে প্রশাসন নারাজ।
জানা যায়, এই নিয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো দুইয়ে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রন) ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুুপ। নতুন করে আক্রান্ত ওই ব্যক্তি উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের ছোট তাশুল্লা গ্রামের বাসিন্দা। সম্প্রতি সে তাবলীগ জামায়াত থেকে নিজ গ্রামে ফিরেছে।
চিকিৎক অনুপ বলেন, ওই এলাকায় ৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দিলে গত বুধবার ওই এলাকায় গিয়ে ৩ জনের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে আইডিসিআরে পরিক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরে বৃহস্পতিবার রাতে পরিক্ষার ফলাফলে সদ্য তাবলীগ জামায়াত থেকে আসা ঐ ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন ধরা পড়ে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য রাজধানীর উত্তরার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আকান্ত রোগীর আশেপাশে ১২টি পরিবারকে হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান ঐ চিকিৎসক ডা. অনুপ। আক্রান্ত ব্যক্তির স্বজনদেরসহ নিকটবর্তী সকলের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষা করা হবে।
এবিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শহীদুল ইসলাম বলেন, রোগীর আশেপাশের ১২ টি পরিবারকে নিরাপত্তার লক্ষে হোম কোয়ারেন্টাইলে থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপশি উপজেলা প্রশাসনকে ঐ এলাকা লকডাউন করতে বলা হয়েছে।
এবিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল বলেন, এবিষয়ে উপজেলা প্রশাসন (ইউএনও) ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আমাকে বললে ব্যবস্থা নিতে পারি। এবিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালাউদ্দিন মনজু’র বলেন, এলাকাটি লকডাউন করা হয়নি। তবে কয়েকটি বাড়ির লোকজনকে বাড়ির বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে গতমাসের ৩১ তারিখে নবাবগঞ্জ উপজেলায় বাহ্রা ইউনিয়নে সৌদি আরব থেকে আসা এক প্রবাসী (৪৭) শরীরে করোনা সনাক্ত করা হয়।
