নবাবগঞ্জে জাতীয় শোক দিবস ও বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকী পালন

মো. নাজমুল হোসেন: আজ শোকাবহ ১৫ আগস্ট। জাতীয় শোক দিবস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী। জাতির জনককে সপরিবারে নির্মম-নিষ্ঠুরভাবে হত্যার ৪৫ বছর। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে রাজধানী ঢাকায় এ কলঙ্কময় অধ্যায় সংগঠিত হয়। তাই দিনটিকে স্মরণ করে সাড়া বাংলাদেশে বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যদিয়ে দিনটি উদযাপন করা হয়। এর ধারাবাহিকতায় ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় শোক দিবস উপলক্ষে সকালে উপজেলার কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ সকল সকল শহীদের রূহের আত্নার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। পরে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা শোক র‌্যালি করেন। র‌্যালীটি উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে উপজেলা পরিষদে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। আওয়ামীলীগের শ্রদ্ধা জানানো শেষে সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ও সকল শ্রেনী পেশার মানুষ শ্রদ্ধা জানানোর মধ্যদিয়ে ১ম পর্ব শেষ হয়।
২য় পর্বে উপজেলা প্রশাসন কতৃক আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ওয়াছেক মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা এবং ঢাকা-১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এইচ এম সালাউদ্দিন মনজু।
ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ বলেন, বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরঞ্জীব, তার চেতনা অবিনশ্বর। জাতির পিতা চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারির্দ্যমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্রকে জয় করে বিশ্বসভায় একটি উন্নয়নশীল, মর্যাদাবান জাতি হিসেবে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
সালমান এফ রহমান ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলেন, সেদিন বঙ্গবন্ধু ছাড়াও ১৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির বাড়িতে তার পরিবারের সকল সদস্যকে নির্নম ভাবে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর ছেলে শেখ কামাল ছিলেন আমার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তিনি যদি আজ বেচে থাকতেন তার কাছ থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু পেতো।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, ভাইস চেয়ারম্যান তাবির হোসেন খান পাভেল।

অনুষ্ঠান মালায় সাবেক গণপরিষদ সদস্য সুবেদ আলী টিপু, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি রাজিবুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ স¤পাদক জালাল উদ্দিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহ মো. আবু বকর ছিদ্দিক, উপজেলা বিআরডিবি চেয়ারম্যান দেওয়ান আওলাদ হোসেন, সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি পলাশ চৌধুরী, যুবলীগের সভাপতি সারোয়ার হোসেন খান, ইউপি চেয়ারম্যান, ড. শফিল উদ্দিন মিয়া, ইব্রাহিম খলিল, ওয়াদুদ মিয়া, দেওয়ান তুহিনুর রহমান সহ জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *