ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় অন্তঃসত্তা হয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (১৯ জুলাই) রাতে আলী আকবর (৬২) নামে এক ধর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। অপরদিকে পালিয়ে গেছে আলমগীর হোসেন (৪০) নামে আরেক ধর্ষক। আটককৃত আলী আকবর উপজেলার কলাকোপা ইউনিয়নের পানালিয়া গ্রামের মৃত সামাদ বেপারীর ছেলে। পলাতক আলমগীর হোসেন একই গ্রামের আলী আকমতের ছেলে।
কিশোরীর পরিবার ও পুলিশ সূত্র জানায়, কিশোরীর বাবা দিনমজুরের কাজ করেন। পরিবারের প্রয়োজনে মাকেও থাকতে হতো বাড়ির বাহিরে। গত ৭/৮ মাস আগে আলী আকবর ও আলমগীর মেয়েটিকে বাড়িতে একা পেয়ে ঝাপটে ধরে। চিৎকার করলে মেরে ফেলার ভয় দেখায়। পরে তারা দুজন মিলে কিশোরীকে ধর্ষণ করে। এ বিষয়ে কাউকে জানালে মেরে ফেলা হবে বলে তাকে ভয় দেখানো হয়। এভাবে তারা সংঘবদ্ধভাবে কিশোরীটিকে ৪ মাসে কয়েকবার ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে কিশোরী ৬ মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে। কিশোরীর অসহায় পরিবার বুঝতে পেরে লোক লজ্জার ভয়ে গর্ভপাত করায়। এ খবর এলাকায় জানাজানি হলে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ধর্ষক আলী আকবর ও আলমগীর হোসেনকে আটক করে। চতুর আলমগীর হোসেন ঘরের পিছনের জানালা ভেঙে পালিয়ে যায়। পুলিশে এসে আলী আকবরকে ধরে থানায় নিয়ে যায়।
কিশোরীর দিনমজুর বাবা জানান, আমরা গরিব। আমাদেরও তো সম্মান আছে। আজ (শনিবার) বিকেলে গোপনে মেয়ের গর্ভপাত করানো হয়েছে। আমি দুই লম্পটের উপযুক্ত বিচার চাই।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক মো. রাজিবুল ইসলাম বলেন, এক ধর্ষককে আটক করা হয়েছে। আরেকজন পালিয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
