মো.আককাস আলী ,নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি: নওগাঁর মহাদেবপুরে বিভিন্ন এতিমখানা, মসজিদ ও মাদ্রাসায় আর্থিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছেন গ্রাম ডাক্তার হাফেজ আব্দুল্লাহ। তিনি উপজেলার বেশ কিছু এতিমখানা, মসজিদ ও মাদ্রাসায় একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ দান করে থাকেন। যে অর্থ দিয়ে এতিমদের খাবারের ব্যবস্থা, মসজিদ ও মাদ্রাসার বিভিন্ন উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। তিনি পেশায় একজন গ্রাম ডাক্তার। উপজেলা সদরের পাশেই কুঞ্জবন বাজারে তার আব্দুল্লাহ হোমিও হল নামে একটি চেম্বার আছে। সেখানে তিনি হোমিও প্যাথিক মতে প্রতিদিন গড়ে একশ রোগী দেখে থাকেন। তার রোগির মধ্যে রয়েছেন সাধারণ মানুষ, আইনজীবী, পুলিশ ও তার পরিবারের সদস্য, বিজিবি ও তার পরিবারের সদস্য, সেনাবাহিনী ও তার পরিবারের সদস্যসহ অন্যান্য শ্রেণি পেশার নানান মানুষ। চিকিৎসা সেবার পাশাপাশি প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ জন গরীব ও অসহায় রোগিকে বিনামূল্যে ঔষধও দিয়ে থাকেন এবং অনেক রোগিকে সর্বোচ্চ ৫০ ভাগ কমিশনেও ঔষধ দিয়ে থাকেন বলে তিনি জানান। তার চিকিৎসা সেবায় সুস্থ্য হচ্ছেন এলাকার হাজারো মানুষ। তিনি হোমিওপ্যাথি মতে প্রায় সকল রোগের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। তার এখানে চিকিৎসা নিতে আসা রোগিরা জানান, তারা এখানে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছেন। অনেকেই নিজেরা সুস্থ্য হয়ে আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশীদের নিয়ে এসেছেন চিকিৎসাসেবা নিতে। তার কাছে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা লালমনিরহাটের পুলিশ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, আমি বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলাম। নওগাঁর একজন পুলিশ সদস্যের মাধ্যমে এখানকার খোঁজ পেয়েছি। এখানে চিকিৎসাসেবা নিয়ে আমি অনেক সুস্থ্য। তার মতে ডা. আব্দুল্লার হাতজোশ অনেক, তাছাড়াও তিনি একজন কোরআনের হাফেজ, তাই হয়তো আল্লাহ তার হাত দিয়ে মানুষকে সুস্থ্য করে তুলছেন।
গ্রামডাক্তার হাফেজ আব্দুল্লাহ আল ওয়াদুদ এর পিতা হাফেজ মোঃ নাজমুল হক এবং তার ছোটভাই হাফেজ মাওলানা আতিকুর রহমান। সকলেই বাস করেন খাজুর ইউনিয়নের কুঞ্জবন গ্রামে।
চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি গ্রামডাক্তার হাফেজ আব্দুল্লাহ আল ওয়াদুদ বিভিন্ন এতিমখাতা, মসজিদ ও মাদ্রাসায় যে সহযোগিতা তা এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তার সুচিকিৎসার সুনাম এখন ছড়িয়ে পড়েছে জেলার বাইরেও। তাই প্রতিদিন জেলার বাইরে থেকেও অনেক জোটিল রোগি আসছেন চিকিৎসাসেবা নিতে।
