কাজী জোবায়ের আহমেদঃ ঢাকার দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মূল প্রবেশ পথ,যা সরকারি হাসপাতাল রোড নামে পরিচিত। প্রতিদিন শত শত রোগী সেবা নিতে আশে এই সরকারি হাসপাতালে। এছাড়া এই রাস্তাটির দুই পাশে রয়েছে বেসরকারি কয়েকটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও পোস্ট অফিস। যেখানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রোগী ও তাদের স্বজনরা চিকিৎসা নিতে আশে। প্রতি মুহূর্তে এই প্রবেশ পথ দিয়ে মুমূর্ষ রোগী নিয়ে যতায়াত করে এম্বুলেন্স। অথচ এই প্রবেশপথে প্রতিনিয়ত মোটরসাইকেল পার্কিং করে রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে রাখা হয়।
জানা যায়,এসব পার্কিং এ থাকা মোটরসাইকেলের কারণে চরম বিপাকে পরে রোগী ও তাদের স্বজনসহ অন্যান্য পথচারীরা। এই নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
শামিম রহমান নামে এক রোগীর স্বজন জানান, এভাবে যদি সরকারি হাসপাতাল রোডে গাড়ি পার্কিং করে রাস্তা বন্ধ করে রাখা হয় তাহলে আমরা রোগী নিয়ে কিভাবে হানপাতালে যাবো। প্রশাসনের এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ।
রাবেয়া নামে চিকিৎসা নিতে আশা এক রোগী জানান, এমনিতেই এই রাস্তার সংস্কার নেই। গাড়ি নিয়ে যেতে কষ্ট হয়। এর মধ্যে যদি এভাবে গাড়ি পার্কিং করে রাস্তায় চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয় তাহলে আমারা জরুরি মুহূর্তে কিভাবে চিকিৎসা সেবা নিতে আসবো। প্রশাসন কি কিছুই দেখে না ?
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সরকারি হাসপাতাল রোডে পার্কিং এ রাখা বেশিরভাগ মোটরসাইকেলই বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিদের। এছাড়া রাস্তায় এদের বাইরেও বেশ কিছু মোটরসাইকেল রাখা হয় । রাস্তার প্রায় অর্ধেকের বেশি জায়গা জুড়ে দখল করে রাখে এসব মোটরসাইকেল চালকরা। রাস্তাটির দুইপাশে থাকা দোকানীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
তারা জানান,এসব মোটরসাইকেল পর্কিং করে চালকরা কোথায় যান আমরা জানিনা। এতে আমাদের দোকানে অন্যান্য কাস্টমার আসতে পারে না।
দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন নববাংলাকে জানান, আমরা বাববার এই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা মিটিং অভিযোগ দিয়েছি প্রশাসন তাদের অভিযান চালানোর পর আবার একই চিত্র শুরু হয়। এই অবৈধ পার্কিং এর বিষয়ে স্থায়ী আইনি পদক্ষেপ নেয়া দরকার।
এবিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজা আক্তার রিবা জানান, আমরা অনেকবার সরকারি হাসপাতাল রোডে গাড়ি পার্কিং করতে নিষেধ করেছি। এর পরেও যদি কেউ রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
