মো. সুজন হোসেন: ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার রাইপাড়া ইউনিয়ন বাঁশতলা চৌ-রাস্তায় গত ১৮ অক্টোবর সকালে তারেক স্টোর চায়ের দোকানে প্রকাশ্যে নাজমুল হোসেন (৩২) কে দেশীয় ছুড়ি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন রনি (৩৫) ওরফে রনি ডাকাত ও তার সহযোগীরা ।
এই ঘটনায় নিহতের স্বজন নাছিমা বেগম (৫৫) বাদী হয়ে দোহার থানায় ৫ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা করেন, মামলা নং-০৮ ।
ঘটনার দিনেই পুলিশ ২নং আসামী মিলন (৩৬) কে আটক করেন এবং আসামী তার নিজ বক্তব্য ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করেন।
দোহার থানার একাধিক চৌকস টিম ও অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম এর দিক নির্দেশনায় এই মামলার অন্যতম প্রধান আসামী রনি ডাকাত ও তার ছেলে মো. নাজমুলকে ফরিদপুর জেলা আশেপাশ থেকে গ্রেফতার করে দোহার থানা হেফাজতে নিয়ে আসেন উপ-পরির্দশক কৃষ্ণ পোদ্দারসহ সঙ্গীয় র্ফোস। পরে দোহার থানার পক্ষ থেকে ১নং আসামী রনি ডাকাতের ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয় ।
উল্লেখ্য যে, রনি ডাকাতের নামে মাদক, ছিনতাইসহ ১২/১৬ টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তিনি স্থানীয়দের নিকট এখন আতংকের। সাধারণ গ্রামবাসিরা প্রশাসনের কাছে অপরাধীদের দৃষ্টান্ত শাস্তির দাবি জানান ।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন, উপজেলা রাউপাড়া ইউনিয়নের জামালচর গ্রামের মৃত নুরু কসাইয়ের (পালক পিতা- চাঁন মিয়ার) ছেলে রনি ওরফে ডাকু রনি (৩৫) এবং তার ছেলে নাজমুল (২০) ।
এ বিষয়ে দোহার থানা অফিসার ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম বলেন, চাঞ্জল্যকর এই হত্যা মামলার প্রথম দিনেই ২নং আসামী মিলনকে আটক করতে সক্ষম হয় দোহার থানা পুলিশ এবং অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করতে আইনি পদক্ষেপ চলমান ছিল। এর ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদসূত্রে ও ডিজিটাল প্রক্রিয়া মাধ্যমে গতকাল সোমবার দিনভর অভিযান পরিচালনা করে এই মামলার অন্যতম আসামী রনি ডাকাত ও তার ছেলেকে মো. নাজমুলকে ফরিদপুর সদর জোট মিল থেকে আটক করে থানা হেফাজতে রাখা হয়। মঙ্গলবার সকালে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়। এই মামলার বাকি আসামী পলাতক রয়েছে, অতি দ্রুত গ্রেফতার করা হবে ।
