নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দোহার উপজেলায় জমির ওয়ারিশ বঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, উপজেলার লটাখোলায় সাবেক নবাবগঞ্জ, হালে দোহার থানার জয়পাড়া মৌজায় সিএস ৬৯৭, এস এ ৬১২, আরএস ৬৩৫ খতিয়ানভুক্ত সিএস ও এসএ ৪৬০ এবং আর এস ৬৪০নং দাগের সম্পত্তি সিএস খতিয়ানে মালিক যথাক্রমে ভগবান চন্দ্র বেহারা এবং চন্দ্র মোহন বেহারা, উক্ত জমিতে ভোগ দখলে থাকা অবস্থায়, তারা অত্র জমিটি চেক দাখিলা ও পাট্টা মূলে গুঞ্জর আলী, আদব আলী, নেধু বেপারী এবং মলাই কারিগর বরাবর বন্দোবস্ত প্রদান করে চিরতরে নিঃস্বত্ববান হন। পরবর্তীতে মলাই কারিগরের সম্পত্তিতে এক স্ত্রী আছিয়া বেগম এবং দুইকন্যা ধনবরু বিবি ও রাবেয়া বেগম এবং তিনপুত্র কুলফত আলী, তারাজদ্দিন ওরফে মুকছেদ আলী ও ফালু কারিগর ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হন। কিন্তু তারাজদ্দিন উরফে মুকছেদ আলী তৎকালীন কাজের উদ্দেশ্যে অন্যত্র বসবাস করা শুরু করেন এবং তিনি তার বাবার সম্পত্তি অদ্যবধি কারো নিকট হেবা বা বিক্রি করেন নাই ফলে তার ত্যাজ্যবিত্ত সম্পত্তিতে তার চার পুত্র মো. কাশেম আলী, মো. হাসেম, মো. ইমান, মো. মমিন আলী ও এক কন্যা শেফালী বেগম এবং স্ত্রী শোভা বেগম ওয়ারিশ বিদ্যমান হয়।
সরেজমিনে গিয়ে এর সত্যতা মিলেছে, তারাজদ্দিনের কন্যা শেফালী বেগম স্বামী গিয়াসউদ্দিন বেপারী এই বিষয়ে মৃত পিতা তারাজউদ্দিন ওরফে মুকছেদ আলীর ওয়ারিশ হিসেবে এবং তার পিতার অন্যান্য ওয়ারিশদের পক্ষে অভিযোগ করে বলেন, আমার চাচারা পিতার ওয়ারিশান সম্পত্তি থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি, আমরা মহামান্য আদালতের কাছে আবেদন করেছি যার দেওয়ানী মামলা নাম্বার-৫৫২/২০১৩। বিগত ৩/০৩/২০১৩ সালে আমি জমি বাটোরা করতে চেয়েছিলাম কিন্তু তারা ভাগ করে দেয়নি তাদের হয়রানির শিকারের কারণে আমি বাধ্য হয়ে মামলা করেছি ২৫/০৪/২০১৩ সালে, এখন বর্তমানে আমার মামলার নাম্বার হচ্ছে ৩৪/২০২২। দীর্ঘ এগারো বছর কোর্টে মামলাটি চলমান, সকল কাগজ ও তথ্য যাচাই বাছাই করে ইতোমধ্যে আদালত আমাদের পক্ষে সাক্ষ্য নিয়েছেন, আমরা আশা করি দাদার ওয়ারিশি সম্পত্তিতে আদালত আমাদের পক্ষেই রায় দিবেন।”
এই বিষয়ে দোহার উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) মো. তাশফিক সিবগাত উল্লাহ বলেন, যেহেতু ব্যাপারটি মহামান্য আদালতে দেওয়ানী মামলা আকারে আছে, সুতরাং বিষয়টি নিষ্পত্তি করা আদালতের এখতিয়ার। তবে ওয়ারিশান সম্পত্তি থেকে কাউকে বঞ্চিত করা যায় না। বাদি পক্ষের দাবি সত্য হলে তারা জমিতে তাদের অংশ যেনো বুঝে পায় এই বিষয়ে আমরা আইন অনুযায়ী সহযোহিতা করতে প্রস্তুত
