বিনোদন ডেস্ক : অভিনেতা ও মার্শাল আর্ট তারকা জ্যাকি চ্যান। সাংস্কৃতিক আইকন হিসেবেও তিনি বেশ পরিচিত। শারীরিক কসরতপূর্ণ মারামারির দৃশ্য, হাস্যরসাত্মক ভঙ্গি ও আবির্ভাব, অপ্রচলিত অস্ত্রের ব্যবহার ও স্টান্ট দৃশ্যের জন্য তিনি সুপরিচিত। ষাটের দশকে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন জ্যাকি চ্যান। এখন পর্যন্ত অভিনয় করেছেন এক শতাধিক সিনেমায়।
জনপ্রিয় এ তারকা চীনের কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। গত সপ্তাহে চীনের রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে আগ্রহের কথা জানান তিনি। চীনা কমিউনিস্ট পার্টি শতবর্ষে পা দিয়েছ। দেশটিতে চলছে নানা উৎসব। ওই উৎসবের আমেজেই কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেওয়ার কথা জানালেন জ্যাকি চ্যান। এমন তথ্যই প্রকাশ করা হয়েছে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম
হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী তরুণরা চীনা আগ্রাসনের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছিল ২০১৯ সালে। বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছিল তারা। সে বিক্ষোভ প্রতিহত করতে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল বেইজিং। উত্তাপ সে পরিস্থিতি চীনা কমিউনিস্ট পার্টির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন এ অভিনেতা। তিনি দাবি করেছিলেন, বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে চক্রান্ত চলছে। তখন বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন জ্যাকি চ্যান।
অভিনয় ছাড়াও সংস্কৃতির বিভিন্ন দিকে পদচারণা রয়েছে জ্যাকি চ্যানের। পপ সংগীতশিল্পী হিসেবেও তার নাম রয়েছে। ক্যান্টোপপ ও ম্যান্ডোপপ তারকা হিসেবেও চীনে পরিচিত তিনি। জ্যাকি চ্যানের নিজস্ব কিছু অ্যালবাম রয়েছে। একাধিক সিনেমার গানেও কণ্ঠ দিয়েছিলেন তিনি।
এক সাক্ষাৎকারে জ্যাকি চ্যান বলেছিলেন, ‘অনেক দেশ ঘুরেছি। কিন্তু আমি বলতে পারি, এই সময়ে আমার দেশ সবচেয়ে দ্রুত বিকশিত হয়েছে। চীনা হওয়ায় আমি গর্বিত এবং যেখানেই যাই না কেন, পাঁচ তারকাখচিত লাল পতাকা বিশ্বের সব জায়গায়ই শ্রদ্ধা পাচ্ছে।
এর আগে ২০১৩ সালে নিজেকে কমিউনিস্টপন্থী বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন জ্যাকি চ্যান। কিন্তু রাজনীতিতে সংক্রিয় হননি তিনি। ২০২১ সালে হংকংয়ের নির্বাচনী সংস্কারের পর একটি নির্বাচন কমিটির সদস্যও হয়েছেন জ্যাকি চ্যান।
