মো.কামাল হোসেন, হঠাৎ করে ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ঢাকার দোহারের মিনি কক্সবাজার খ্যাত মৈনটঘাট বড় ভাঙনের কবলে পড়েছে। তিন দিনে এই এলাকার বড় অংশ চলে গেছে পদ্মার পেটে। এতে মৈনটঘাট এলাকার নদী তীরবর্তী মানুষ চরম আতঙ্কে দিন পার করছেন।
ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে পদ্মা নদীতে তীব্র নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। ঢেউয়ের তোড়ে নদী ভাঙন রোধে ফেলা জিও ব্যাগ সরে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। শুধু মৈনটঘাট নয় দোহার উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী এলাকাগুলো তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে ফেলে রাখা জিও ব্যাগ তলিয়ে মাটি ভেঙে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে শুরু হওয়া বাঁধ নির্মাণ চলাকালে রিমালে এ ভাঙন আতঙ্ক জাগাচ্ছে নদীতীরবর্তী হাজারো মানুষকে। অনেকেই বাড়িঘর ভাঙনের আশঙ্কায় সতর্কতা অবলম্বন করছেন। এবারের ভাঙন বর্ষাকালের আগেই আতঙ্কিত হচ্ছে পদ্মা পাড়ের বাসিন্দারা। স্থানীয় বাসিন্দা, মাসুদ রানা জানান, ” বাঁধ নির্মানের পরে ও নদী ভাঙছে। দ্রুত বাধের কাজ শেষ করা না হলে আরো ভাঙতে পারে মৈনটঘাট। ” স্থানীয় আরেক বাসিন্দা জব্বর শিকদার জানান, ” তারাতারি বাধের কাজ শেষ করতে পারলে এত ভাঙতেো না। তাই আমরা চাই অতি তারাতারি বাধ নির্মান কাজ যেন শেষ হয় “। ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে ভাঙন কবলিত অংশ দ্রুত ভাঙন রোধ করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন দায়িত্বরত শ্রমিকরা। নতুন করে যেন মৈনটঘাট আর না ভাঙে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন সেনা কর্মকর্তারা। মিনিকক্সবাজার নামে মৈনটঘাট ভাঙন থেকে রক্ষা পাক এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের।
