মো.কামাল হোসেন ; ঢাকার দোহারের পলাশ (২২) নামের এক যুবকের গাজীপুরের বাসন থানায় শ্বশুর বাড়িতে রহস্যকনক মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে পলাশ মারা গেছে বলে মোবাইলে ফোনে জানানো হয়। শ্বশুর বাড়ির লোকজনের দাবী স্ট্রোক করে মারা গেছেন পলাশ। অপরদিকে পলাশের বাবার দাবী পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে পলাশ কে। পলাশ দীর্ঘদিন যাবৎ শ্বশুর বাড়িতেই বসবাস করছিলেন। পলাশের মৃত্যুর পর পুলিশ ময়নাতদন্ত করতে চাইলে ও পলাশের স্ত্রী পুলিশকে ময়নাতদন্ত করতে দেয়নি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে। পলাশের বাবা থানায় অভিযোগ করতে চাইলে তাকে হুমকি ধামকি দিয়ে লাশ পাঠিয়ে দেন গ্রামের বাড়িতে।
লাশ ময়নাতদন্ত না করে ফরিদপুরে পলাশের নানা বাড়িতে দাফন করা হয়। মৃত্যুর কয়েকদিন পর পলাশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সাহরিয়ার দুদুল পলাশের স্ত্রী কে ফোন করে ময়নাতদন্ত না করার কারন জানতে চাইলে পলাশের স্ত্রী সাহরিয়ার দুদুল কে দেখে নেওয়ায় হুমকি দেয়।
পলাশের বাবা আ.রহমান খান জানান, ” আমার ছেলে পলাশের মৃত্যু কোন ভাবেই স্বাভাবিক ছিল না। আমি থানায় অভিযোগ করতে চাইলে আমাকে ভয়ভীতি দেখায় ওই বাড়ির লোকজন। আমি আমার ছেলে হত্যার সঠিক বিচার চাই।
” মৃত পলাশের স্ত্রী ফারিয়া জানান, ” ওর মৃত্যু স্বাভাবিক হয়েছে তাই ময়নাতদন্ত করতে হয়নি ।
এলাকাবাসী বলছে, আমরা পলাশ হত্যার তদন্ত ও সঠিক বিচার চাই। পলাশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু সাহরিয়ার দুদুল জানান, ” পলাশকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরাএ হত্যা কান্ডের সঠিক বিচার চাই। পলাশের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন করবে পুলিশ এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।
