ক্লিন ইমেজের প্রার্থী দেওয়া হবে: ওবায়দুল কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে ক্লিন ইমেজ ও জনপ্রিয়তা দেখে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মনোনয়ন দেবে বলে জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের জন্য বিতর্কিত হয়েছে, আমরা এমন কাউকে মনোনয়ন দেবো না। বিতর্কের ঊর্ধ্বে যারা আছে, যাদের কোনো অপকর্মের রেকর্ড নেই, তাদের আমরা চয়েস করবো।তিনি বলেন, জনগণের কাছে জনপ্রিয় ও গ্রহণযোগ্য- এ ধরনের প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার জন্য আমাদের বোর্ড বসবে। সর্বাত্মকভাবে আমাদের নেত্রীরও ইচ্ছা ক্লিন ইমেজের প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া।

ওবায়দুল কাদের আরও জানান, শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে দলটির স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা হবে। সেখানে ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটির দু’জন মেয়র ও ১৭২ জন কাউন্সিলর পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) পর্যন্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নয়জন ও কাউন্সিলর পদে ৪৭৩ জন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে সাতজন ও কাউন্সিলর পদে ৩৩৬ জন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন বলে জানান আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।

এছাড়া শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুর পর্যন্ত ঢাকা উত্তরে কাউন্সিলর পদে ৭০ জন এবং দক্ষিণে ৭২ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বলেও জানান তিনি। শুক্রবার বিকেল ৫টায় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ এবং জমা দেওয়ার সময় শেষ হবে।

এর আগে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে রোববার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কেএম নূরুল হুদা।

আগামী ৩০ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। পুরো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
 
নির্বাচন কমিশনে মনোনয়ন দাখিলের শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার), মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার)। প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৫ জানুয়ারি (রোববার)। প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি (শুক্রবার)। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৩০ জানুয়ারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *