স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার কেরানীগঞ্জে এক গার্মেন্টস কর্মীকে গণধর্ষন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৫ মে) রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের পারগেন্ডারিয়ার সাতপাখি এলাকায়।
এলাকাবাসীদের কাছ থেকে জানা যায় সাতপাখি এলাকায় রাতে এক কিশোরী গার্মেন্টসকর্মী তার নিজ বাসায় গণধর্ষনের শিকার হয়। ধর্ষনের ঘটনা যাতে অন্য কাউকে না বলে এজন্য তাকে তিনধর্ষক বেদম মারধর করে ভয় দেখায়। ধর্ষকরা চলে যাবার পরে ওই গার্মেন্টসকর্মী ট্রিপল নাইনে ফোন দেয়।
এতে রাতেই ইকুরিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা মানিক, দুলাল ও শামীম নামে তিনজনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে মানিক পুলিশের সদস্য হওয়ায় ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শাহাদাত হোসেন তাদের পক্ষ নিয়ে ঘটনাটি মিথ্যা সাজিয়ে তাদেরকে ফাঁড়ি থেকে ছেড়ে দেয়ার চেষ্টা করে।
এসময় খবর পেয়ে শতশত এলাকাবাসী ইকুরিয়া পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও করেন এবং তারা ফাঁড়ির সামনে বিক্ষোভ করেন। এঘটনার খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ আটককৃত ওই তিনজনকে ফাঁড়ি থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
পারগেন্ডারিয়ার সরকার বাড়ির মো. সাদেক হোসেন জানান, আটককৃত দুলাল ও শামীম এলাকায় মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। পুলিশ কনস্টেবল মানিকের ওই মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে খুব সখ্যতা রয়েছে। তারা আটককৃত তিনজনের বিরুদ্ধে ধর্ষনের মামলা দিয়ে তাদের শাস্তি দাবি করেন।
পারগেন্ডারিয়া এলাকার মো. স্বপন জানান, আটককৃত দুলাল ও শামীম মাদক ব্যবসায়ী। তারা এলাকায় নানা অপকর্মের সাথে জড়িত। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠ বিচার দাবি করছি।
ইকুরিয়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. শাহাদাত হোসেন জানান, ঘটনাটি সম্পুর্ন মিথ্যা। মানিক নৌ-পুলিশের একজন সদস্য। তার বাড়ি একই এলাকায়। স্থানীয় কিছু লোকজনের সাথে তার দ্বন্দ রয়েছে। এলাকার লোকজন তাদের ফাঁসাতে এই ঘটনা সাজিয়েছেন। আমরা এই ঘটনায় আটক দুলাল ও শামীমকে ১৫৪ধারায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করেছি।
