প্রস্তাবিত বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার সমালোচনা করেছেন বিরোধীদলের উপনেতা জিএম কাদের। এতে দুর্নীতিকে আরো উৎসাহিত করবে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের ওপর আলোচনাকালে জিএম কাদের এ অভিযোগ করেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
বিরোধীদলের উপনেতা বলেন, দারিদ্র ও বেকারত্ব বেড়ে যাওয়ায় কর্মসংস্থান এখন সময়ের দাবি। এ সমস্যা সমাধানে বাজেটে খুব একটা দিকনির্দেশনা নেই। আগের বছরগুলোতে বাজেটে যে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হয়েছিল এবারের বাজেটে সেটা হয়নি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে থোক বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। তবে এ থোক বরাদ্দের যথার্থতা নির্ণয়ের জন্য একটি মনিটরিং টিমকে দায়িত্ব দেওয়া যেতে পারে। করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট এ অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে এ বাজেট বাস্তবায়ন করা একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ হতে পারে। পরবর্তী ছয় মাস পর এ বাজেট রিভিউ করলে ভালো হবে।
কালো টাকা সাদা করার সুযোগের সমালোচনা করে জিএম কাদের বলেন, কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতিকে উৎসাহিত করবে। দুনীতি দমন অভিযান ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দুর্নীতি দমন কমিশনের আর প্রয়োজনীয়তা থাকবে না। অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, এতে খুব বেশি লাভবান হওয়া যায় না। রাজস্ব আয় খুব বেশি হয় না।
তিনি বলেন, করোনার সঙ্গে বসবাস করে দেশের অর্থনীতি চালু রাখতে হবে। এজন্য স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজাতে হবে। বিদ্যুৎ ও পানি বিল নিয়ে যে সমস্যার কথা শোনা যাচ্ছে, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার দাবি জানাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ভার্চ্যুয়াল শিক্ষা চালু হয়েছে। প্রাথমিক স্তর পযন্ত এ ভার্চ্যুয়াল শিক্ষা চালু করা হোক। এতে ভার্চ্যুয়ালের ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে থাকবো।
