কেরানীগঞ্জ( ঢাকা)প্রতিনিধি: বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের রায়ে দেশের মানুষ স্বস্তি পেয়েছে, শান্তি পেয়েছে এবং খুশি হয়েছে। হাজার হাজার ছাত্র জনতাকে হত্যাকারী অবৈধ প্রধানমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিচারের রায়ে সর্বোচ্চ শাস্তি হয়েছে। এতে বাংলাদেশের জনগণ স্বস্তি পেয়েছে শান্তি পেয়েছে। এই রায়ে জুলাই আন্দোলনে শহীদের পরিবার ও আহতদের পরিবার সন্তুষ্ট হয়েছে। তবে তাদের পরিবার এই রায় দ্রæত কার্যকর করার দাবি জানিয়েছেন। এটাই বাংলাদেশের জনগণের একমাত্র প্রত্যাশা। তিনি আরো বলেন,ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে, হেফাজতের মিছিলে গুলি করে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। ইলিয়াস আলীকে গুম করা হয়েছে, চৌধুরী আলমকে গুম করা হয়েছে, সুমনকে গুম করা হয়েছে,হাজার হাজার ছাত্র জনতাকে গুম করা হয়েছে তাদের বিচারও ওই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুরু করা হয়েছে।
এসব বিচারে হাসিনার কতবার যে ফাঁসি হবে তা বলে শেষ করা যাবে না। আমান উল্লাহ আমান বলেন, সব কিছুরই পরিনাম আছে। যে যেমন কাজ করবে সে তেমন ফল পাবে। ৫২ এর ভাষা আন্দোলন হয়েছিল, ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন হয়েছিল , ৬৯ এ গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল, ৭১এ মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, ৯০এ গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল আর সর্বশেষ ২৪এ গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। প্রত্যেকটি গণঅভ্যুত্থান রাজপথে ফয়সালা হয়েছে। বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছিলেন দেশ যাবে কোন পথে ফয়সালা হবে রাজপথে। রাজপথেই কিন্তু ফয়সালা হয়েছে। তিনি আজ সকালে কেরানীগঞ্জের কলাতিয়া ডিগ্রী কলেজে নবীন বরণ ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কলাতিয়া ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ লিয়াকত আলি, কলাতিয়া ডিগ্রী কলেজের গভর্নিংবোর্ডের সভাপতি এম এ অভি, এলজিআরডি এর সাবেক চিপ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আনোয়ার হোসেন, কেরানীগঞ্জ ডক্টর অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলিনুর পলাশ কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মনিরুল হক মনির,কলাতিয়া ইউনিয়ন ব্এিনপির সভাপতি এনামুল হক চান মিয়ংা, সাধারন সম্পাদক দাউদ শিকদার,কলাতিয়া ডিগ্রী কলেজের গভর্নিংবোর্ডেও সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান লিখন,সিরাজ নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ বাবুল হোসেন ও তারানগর বটতলী সিরাজ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আইনুল প্রমূখ।
