সিরাজদিখান-(মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে তোয়াবা নামে চার বছরের এক শিশুকে হত্যা করে মরদেহ পরিত্যক্ত জমিতে ফেলে রাখার অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় শিশুটির বাবা গোলাপ হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনিও মারা যান। বাবা-মেয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বুধবার বিকেলে উপজেলার লতব্দী ইউনিয়নের রামকৃষ্ণদী গ্রামের মোল্লা ব্রিকস নামের একটি ইটভাটার কাছে এ ঘটনা ঘটে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে পুলিশ শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে বেলা ১২টার দিকে ওদের হাসপাতাল থেকে ঢাকা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাবা গোলাপ হোসেনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ ৪ জন নাটক করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাপ হোসেনের বাড়ি লতব্দী ইউনিয়নের দোষরপাড়া গ্রামে। তাঁর বাবা জয়নাল মিয়া গত পাঁচ বছর ধরে রামকৃষ্ণদী এলাকার একটি ইটভাটায় কাজ করছেন।
বুধবার বিকেল ৫টার দিকে দাদা জয়নাল মিয়ার সঙ্গে দেখা করে মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তোয়াবা ও তার বাবা গোলাপ হোসেন হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় ছয় বছরের শিশু তওবাকে হত্যা করে ইটভাটার কাছে একটি পরিত্যক্ত জমিতে তার মরদেহ ফেলে রাখা হয়। একই ঘটনায় গোলাপ হোসেনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়।
পরে স্থানীয়রা গোলাপ হোসেনকে উদ্ধার করে ঢাকার কেরানীগঞ্জের আব্দুল্লাপুর স্বদেশ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল আসপাতালে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিশু তোয়াবা আক্তার মরদেহ উদ্ধার করে। বাবা ও মেয়ের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার-স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে কী কারণে এ ঘটনা ঘটেছে এবং কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন বলেন, ধারনা করছি জমির সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে।
