কেরানীগঞ্জ(ঢাকা) প্রতিনিধি: বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন আমরা সরা বাংলাদেশকে শতভাগ বিদ্যুতের আওতায় এনেছি । এখন আমরা নিরবিচ্ছিন্ন ও সাশ্রয় মূল্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেয়ার চেষ্টা করছি। যত দ্রুত পারি আমরা নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পৌছে দেয়ার কাজ করব।কিছু কিছু পাহাড়ি দুর্গম ও নদনদী বেষ্টিত এলাকা রয়েছে সেখানেও আমাদেও একটু বেগ পেতে হলেও বিদ্যুৎ পৌছে দিচ্ছি।এই বছরেই কেরানীগঞ্জ থেকে মাটির নীচ দিয়ে সমস্ত বিদ্যুতের লাইন নেয়ার কাজ করা হবে।
তিনি আজ মঙ্গলবার সকালে কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে আইটি/হাই-টেক পার্ক এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন কাালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন,আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার আগে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার যে ইশতিহার ঘোষণা করেছিল ক্ষমতায় আসার এই ১৫ বছরে তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তা সফল হয়েছে। এখন ঘরে ঘরে ডিজিটাল বাংলাদেশ। ৪১ সালের পর বাংলাদেশে কি হবে সে বিষয়েও আমাদের প্রধানমন্ত্রী ভাবেন। আমাদের এই আইট পার্ক নির্মিত হলে এখানে কেরানীগঞ্জের শতশত লোকের কাজ করার সুযোগ হবে।
তারা গতানুগতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের বদলে অনলাইনে কাজ করে ডলার আয় করতে পারবে যা দেশের আর্থ সামাজিক পরিবেশের ব্যাপক পরিবর্তন হবে।
অনুষ্ঠানে আইসটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন,দেশের ১২টি জেলায় হাইটেক পার্ক নির্মানে ভারতের সরকার ঋণ প্রদান করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে আইসিটি খাতে যথাযথ অবকাঠামো গড়ে উঠার কারণে বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৩ কোটির অধিক। সাড়ে ৬ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার ৫০০ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ভারতীয় হাই কমিশনার শ্রী বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী বলেন দুই দেশের অত্যান্ত উন্নত সম্পর্ক আরো দৃঢ়করণ এবং আইসটি সেক্টরসহ অন্যান্য খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারীত্ব বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিশেষ আইসিটি সেক্টরও ভারতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে দেশের ১২টি জেলায় হাইটেক পার্ক নির্মাণে ভারতের সরকার ঋণ প্রদান করছে।¡
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ এর পরিচালক গ্রেড-১ ডা.বিকর্ন কুমার ঘোষ। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা প্রশাসক মোঃ শহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন সরদার ও কেরানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ প্রমুখ।
উল্লেখ্য ৩.২৭২ একর জমির উপর ২০০ কোটি টাকা ব্যায়ে এই আইটি পার্কে একটি ৭তলা মাল্টিটেনেন্ট ভবন ও ১টি সিনেপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। ২০২৪ সালে নির্মাণ কাজ শেষে এই পার্কের কার্যক্রম শুরু করা হবে। এখানে প্রায় ১৫০০০ জনের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে।
