লেখকঃ মুহাম্মদ ইয়াসিন মুনিফ
দোহার ও নবাবগঞ্জ এই দুই উপজেলার রাস্তায় প্রতিদিনই ঘটছে মর্মান্তিক বাইক দুর্ঘটনা। এক সময় যেখানে এই রাস্তাগুলো ছিল জীবনের চলার পথ, আজ তা অনেকের জন্য হয়ে উঠছে মৃত্যুর পথ।শুধু সংখ্যায় নয়, এই দুর্ঘটনাগুলোর পেছনে আছে অগণিত ভাঙা পরিবার, থেমে যাওয়া স্বপ্ন, আর অশেষ কান্না।
সবচেয়ে হৃদয়বিদারক দিক হলো ,দুর্ঘটনায় নিহত বা আহতদের অধিকাংশই বয়সে ১৪ থেকে ২০ বছরের কিশোর।
বেপরোয়া গতি আর হেলমেটহীন দৌড়
দিনের বেলা কিংবা রাতের আঁধার ,গতি পাগল কিছু তরুণ হেলমেট ছাড়াই ছুটছে গ্রামের সরু রাস্তায়।
একটু অসাবধানতা, এক মুহূর্তের ভুল ব্রেক ,আর তারপরেই নিভে যাচ্ছে তরতাজা প্রাণ।
মায়ের আর্তনাদ, বাবার নিস্তব্ধতা, বন্ধুর চোখের জল,এই দৃশ্যগুলো এখন যেন প্রতিদিনের ঘটনা।
হারিয়ে যাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম
যে বয়সে তাদের বই হাতে স্কুলে যাওয়ার কথা, সেই বয়সেই তারা বাইকের গতিতে নিজেকে হারাচ্ছে।
কেউ আর ফিরে আসে না সেই বিকেলের আড্ডায়, কেউ আর বলে না—“ভাই, একটু ঘুরে আসি!”
একটি গতি, একটি অহংকার, আর কিছু মুহূর্ত,শেষ করে দিচ্ছে এক জীবনের গল্প।
একটু থামলেই বাঁচবে জীবন
গতি নয়, নিরাপত্তাই হোক আমাদের অহংকার।
একটি হেলমেট, একটু সাবধানতা, আর দায়িত্বশীলতা — বাঁচাতে পারে অগণিত প্রাণ।
একটু ভাবো, একটি মুহূর্তে তুমি হয়তো তোমার পরিবারকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছো।
দোহার-নবাবগঞ্জের তরুণদের কাছে আহ্বান ,
গতি নয়, জীবনকে ভালোবাসো।
বাইক নয়, দায়িত্বকে চালাও।
