স্টাফ রিপোটার: গত ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার কালীবাড়ি খ্যাত নারিশা ইউনিয়নে রুইথা গ্রামে অবস্থিত হিরোইন পল্লী উচ্ছেদ করেছে স্থানীয় জনগণ।
জানা যায়, পল্লী বাজারের জামে মসজিদ থেকে মাত্র ২০০ মিটার দুরে হানিফ মোল্লার (৬০) বাড়ির রাস্তার পাশে খালের পারে খাস জমিতে পুতুল বেগম(৫৫) সপরিবারে বসবাড়িতেই স্থানীয়দের চোখে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অদৃশ্য শক্তির সাহায্যে গত ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চালিয়ে আসছিল হিরোইনসহ বিভিন্ন মাদকের সাম্রাজ্য। ছোরহাব খা(৫৫) জানায়, বাবা আমার মনে আমি ও আমার এলাকাবাসী এতদিন পর হাফ ছেড়ে বাচছি। আগে এই পরিবারকে বেশ কয়েকবার সতর্ক করা হলেও তারা কারো কথায় কর্ণপাত করেনি।
২০২৩ সালে নারিশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অভিযান পরিচালনা করেন, ৫ ই আগস্টের পর সেনাবাহিনী অভিযান চালায় তখন পুতুলের ছেলে খোকন (২৫) ও মেয়ে কালিকে (২৭) গ্রেফতার করে নিয়ে যায় কিন্ত তার কিছুদিন পর অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে আবারও বাইরে বেরিয়ে এসে নির্ভয়ে ব্যবসা চালিয়ে যায়। গত ১ সেপ্টেম্বর নারিশা ও মুকসুদপুর ইউনিয়নের বাসিন্দারা তাদেরকে আবারো সতর্ক করে যেন তারা এই ঘিন্নিত কাজ ছেড়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরত আসে আর যদি না পারে তাহলে যেন তারা এলাকা ছেড়ে চলে যায় কিন্তু তারা সে কথায়ও কোন কর্ণপাত করেনি তার পর এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর দোহারের হিরোইন পল্লী খ্যাত কালিবাড়ি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। কালী ও তার পরিবারের বর্তমান অবস্থার কথা জানতে চাইলে রিদুল হোসেন(১৬)জানায়, অবস্থা বেগুতি দেখে তারা বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায় এখন হয়তো তারা নারিশা ডাকবাংলো পূর্ব চরে কোন এক বাসায় অবস্থান করছে।
