কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকা কি কি -২ আসনের এমপি আমান উল্লাহ আমান বলেছেন,দেশের ক্রান্তিকালীন সময়ে একমাত্র জিয়া পরিবারই জনগণের পাশে গিয়ে দাঁড়ায়। ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ গভীর রাতে পাকহানাদার বাহিনী রাজধানী ঢাকা সহ সারাদেশে যখন হামলা চালায় তখন মেজর জিয়া চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার মাধ্যমে দেশের দামাল ছেলেরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এই যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহীদ হয়। ১৯৯০ সালে জিয়া পরিবারই আবার জনগণের পাশে দাঁড়ায়। সে সময় বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচারী এরশাদ সরকারের পতন ঘটানো হয়। সর্বশেষ ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে আমরা পেয়েছি নতুন বাংলাদেশ।
জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফেরত পেয়েছে। কিন্তু গত ১৭ বছরে ভোট দিতে পারেনি। ২০১৮ সালে দিনের ভোট রাতে হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়াই এদেশে নারী শিক্ষার বিপ্লব ঘটিয়েছেন। তিনি নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তিসহ অবৈতনিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছিলেন। তারেক রহমানের নির্দেশে সারাদেশে পাঁচ বছরে ২৫কোটি গাছের চারা রোপন করা হবে।প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যেই অসহায়দের জন্য ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করেছেন। আগামীতে কৃষক কার্ড ও স্বাস্থ্য কার্ড বিতরণ করবেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবার খাল কাটা কর্মসূচি শুরু হয়েছে। খালকাটা কর্মসূচি সফল হলে দেশে খাদ্য উৎপাদন দ্বিগুণ হবে। তিনি আজ দুপুরে কেরানীগঞ্জের আটি ভাওয়াল স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে ঢাকা-২ আসনের অন্তর্ভুক্ত সকল প্রাইমারি, হাই স্কুল ও কলেজের কৃতি শিক্ষার্থীদের সম্মাননা পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। আমান আরো বলেন, গণতন্ত্র আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। গণতন্ত্রে ফিরে আসতে হলে নির্বাচনের বিকল্প নাই। প্রতি পাঁচ বছর পর পর এদেশে নির্বাচন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান মহিলা মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন এবং বেগম খালেদা জিয়া মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় গঠন করেছিলেন। এমপি মন্ত্রী হলেও আমরা কিছুই নই।
আমরা প্রকৃতপক্ষে জনগণের সেবক। জনগণের সেবা করাই আমাদের উদ্দেশ্য।অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের উদ্দেশ্যে আমান বলেন, প্রতিদিন বাধ্যতামূলক স্কুলে জাতীয় সংগীত যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ উমর ফারুকের সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কেরানীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন মোল্লা, সবার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লিয়াকত আলি সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।
