মো. নাজমুল হোসেন : ঢাকা জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মাহাবুবুর রহমান বলেছেন আমি আগেই বলেছি আমি সংসদ সদস্য নির্বাচন করবো না। আমি বিশ্বাস করি আমার সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে পুনরায় ঢাকা জেলা পরিষদের দায়িত্ব দিবেন। ইনশা’আল্লাহ নেত্রী যদি আমাকে আবার এই দায়িত্ব দেন আমি কথা দিচ্ছি দোহার-নবাবগঞ্জসহ ঢাকা জেলা পরিষদে উন্নয়নের ইতিহাস গড়বো। আজ ২১ মে শনিবার ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার মেলেং জোড়া মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক চেয়ারম্যান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার উপর বিশ্বাস করে ৫বছর আগে আমাকে ঢাকা জেলা পরিষদের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আমি আমার নেত্রীর দেয়া দায়িত্ব সৎ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করেছি। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৫ বছরে ঢাকা জেলা পরিষদের মাধ্যমে আমি প্রায় ৩শ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছি।
মাহাবুব আরও বলেন, আপনারা জানেন আমাদের প্রিয় সাংসদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা ও ঢাকা ১ আসনের সাংসদ সালমান এফ রহমান দোহার-নবাবগঞ্জকে আধুনিকায়ন করতে নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড হাতে নিয়েছে। এসকল উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন হলে দোহার-নবাবগঞ্জের চেহারা পাল্টে যাবে। তখন মনে হবে সিঙ্গাপুরের মত কোনো একটি দেশে বাস করছি।
দিন ব্যাপী প্রায় দুই কোটি ছাব্বিশ লক্ষ টাকা ব্যায়ের উপজেলার তিনটি আরসিসি পাকা রাস্তা, দুইটি মসজিদ, মুজিববর্ষ উপলক্ষে জেলা পরিষদের অর্থায়নে চারটি পাকা ঘর এবং তিনটি মন্দির উদ্বোধন করা হয়।
এসময় সাবেক গণপরিষদ সদস্য সুবেদ আলী টিপু, নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মোতালেব হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আলিমুর রহমান খান পিয়ারা, কৈলাইল ইউনিয়ন কৃষকলীগের সভাপতি মোবারক হোসেন, ওয়াদুদ মিয়া, বশির আহমেদ, একেএম মনিরুজ্জামান তুহিন, শিরিন চৌধুরী, নারিশা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান শাহজাহান মোল্লা, আওয়ামীলীগ নেতা মোবারক হোসেন খান, মোস্তফা মোল্লা, মোশারফ হোসেন, উমর খান, আব্দুল মান্নান, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, সংকর লাল শাহা, নবাবগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি সারোয়ার হোসেন খান, মেলেং জোড়া মন্দির কমিটির সভাপতি বীরবল ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক নির্মল হালদারসহ স্থানীয় নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
