এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী,শ্রীনগর(মুন্সীগঞ্
ভুক্তভোগী একাধিক পরিবারের অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ঐ সম্পত্তির মুল মালিক ছিলেন রাখাল চন্দ্র দাস ও বিজয় চন্দ্র দাস। ১৯৬৮ সালে তারা দুজন স্ব-পরিবারে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যাওয়ায় ১৯৭৬ সালে ঐ সম্পত্তি সরকারী ভেস্টেট হয়। পরে গেজেট ভুক্ত করে সরকারের ঐ এলাকার খলিল খান,আবুল হাশেম খান, দেলোয়ার মাদবর,বাচ্চু খান, আফজাল মৃধাসহ ৮-১০ টি পরিবার লীজ প্রদান করেন। তারা ঐ সম্পতি লীজ সুত্রে মারিক হয়ে হালসন পর্যন্ত লীজ নবায়ন করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে নিয়োজিত আছেন। পরে যাদব পোদ্দার ঐ সম্পত্তি ছয়টি ভুয়া ওয়ারিশ দেখিয়ে তৎকালী স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে ভুল তথ্য দিয়ে ওয়ারিশ সনদ সৃজন করেন। পরবর্তীতে চেয়ারম্যান ভুয়া ওয়ারিশের বিষয়টি জানতে পেরে তার দেয়া ওয়ারিশ সনদ বাতিল ঘোষনা করেন। এতে যাদব চন্দ্র দাস ক্ষিপ্ত হয়ে আঃলীগের দলীয় এমপি সুকুমার রঞ্জন ঘোষের প্রভাব খাটিয়ে চেয়ারম্যানকে হুমকি ধামকি দিয়ে চাপে প্রয়োগের মাধ্যমে পূনরায় ৬টি ভুয়া ওয়ারিশ সনদ সৃজন করে লীজ সম্পত্তিতে বসতি খলিল খানসহ সব পরিবারকে দখল উচ্ছেদের পায়তারা করে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে।
এব্যাপারে অভিযুক্ত যাদব চন্দ্র দাসের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এব্যাপারে আপনার সাথে আমি পরবর্তীতে কথা বলবো বলে ফোনটি কেটে দেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আবুল হোসেন সাগর জানান, তৎকালীন সময়ে যাবদ চন্দ্র দাস আঃলীগের দলীয় ও হিন্দু এমপির প্রভাব খাটিয়ে চেয়ারম্যানকে চাপ প্রয়োগ করে ভুয়া ওয়ারিশ সনদ বানাইয়া এই সম্পত্তি দখলের পায়তারা করে আসছে।
