শুরু হলো পবিত্র মাহে রমজান

নিজস্ব প্রতিবেদক : রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের সওগাত নিয়ে বছর ঘুরে আবার এলো মাহে রমজান। শুরু হয়েছে মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা।

রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে মসজিদ থেকে ভেসে আসছিল ফজরের আজানের সুমধুর ধ্বনি। দুই বছর আগেও প্রথম রমজানের দিন সেহরি শেষে মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ঢল নামত। পাড়া-মহল্লায় সেহরি খাওয়ার জন্য ডেকে তুলতো তরুণরা। মসজিদ থেকে সাইরেন বাজত, মাইকে সেহরির শেষ সময় বলে দ্রুত সেহরি খাওয়ার তাগিদ দেয়া হতো। কিন্তু করোনাভাইরাস সৃষ্ট মহামারির কারণে গত বছরের মতো এবারও এসব রীতি অনুপস্থিত।

মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যুর ক্রমাবনতিশীল পরিস্থিতিতে আজ বুধবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ ও রমজানের প্রথম দিন। আজ থেকেই সপ্তাহব্যাপী সর্বাত্মক লকডাউন শুরু হচ্ছে। বিনা প্রয়োজনে বাইরে বের না হওয়ার জন্য নির্দেশনা দিয়েছে পুলিশ। বিশেষ প্রয়োজনে বের হওয়ার জন্য ইস্যু করা হয়েছে মুভমেন্ট পাস। সংক্রমণ প্রতিরোধে মসজিদগুলোতে প্রতি ওয়াক্ত ও তারাবির নামাজে সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবে বলে নির্দেশনা জারি করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।

প্রথম রমজানের সেহরি খেয়ে রোজা রাখতে গৃহিণীরা রাতেই রান্নার কাজ শেষ করে ঘুমোতে যান। রাত ৩টার পর থেকেই বাসা-বাড়িতে জ্বলে ওঠে আলো। তবে তরুণরা পাড়া-মহল্লায় রোজাদারদের কোরাস সুরে ডেকে জাগিয়ে তুললেও লকডাউন ও বিধিনিষেধের কারণে এবার তা হয়নি। করোনা যখন ছিল না তখন সেহরি খাওয়ার পর পরই দলবেঁধে মুসল্লিরা মসজিদে ফজরের নামাজ আদায় করতে বের হতেন। কিন্তু লকডাউন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিধিনিষেধের কারণে সে দৃশ্যও চোখে পড়েনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *