পুলিশ ও ভুক্তভোগী কলেজছাত্রীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে মো. রাফির নামের এক যুবকের সঙ্গে ওই কলেজছাত্রীর পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্র ধরে ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করেন রাফি। একপর্যায়ে মেয়েটিকে ধর্ষণের ঘটনা ভিডিও করে রাখেন রাফি। পরে তিনি ওমানে চলে যান। একসময় রাফি ধর্ষণের ভিডিও বন্ধুদের মুঠোফোনে ছড়িয়ে দেন। সেখান থেকে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। গত সপ্তাহে ওমান থেকে রাফি সাটুরিয়ার বাড়িতে ফেরেন। তাঁর ফেরার বিষয়টি জানতে পেরে কলেজছাত্রী শনিবার থানায় তাঁর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন। পরে শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল আলম বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ওই যুবক ধর্ষণের অভিযোগ ও ভিডিও চিত্র ধারণের কথা স্বীকার করেছেন। মেয়েটির করা মামলায় ওই যুবককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আজ রোববার (১১ জুলাই) দুপুরে আদালতে পাঠানো হবে।
