নবাবগঞ্জে গৃহবধু শিখা হত্যাকান্ড অভিযুক্ত ইউপি সদস্য দীলিপ হালদার পলাতক

 নিজস্ব প্রতিবেদক:  ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ছোট গোবিন্দপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী রতন হালদারে স্ত্রী শিখা হালদার হত্যাকান্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত যন্ত্রাইল ইউনিয়নের ৭নং ইউপি সদস্য দীলিপ হালদার গত দশদিন যাবত পলাতক রয়েছেন। গত শুক্রবার ৯ জুন শিখার লাশ উদ্ধার করেন নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ। ঘটনায় পর থেকেই পলাতক রয়েছেন ইউপি সদস্য দীলিপ হালদার। তার পলাতক থাকায় শিখা হত্যা কান্ডের সাথে দীলিপ সরাসরি জড়িত বলে মনে করেন এলাকাবাসী, শিখার স্বামী রতন ও শিখার মা শারথী।
নিহত স্বজনদের দাবি, শিখাকে তার শশুর সুনিল হালদার ও চাচা শশুর দীলিপ মেম্বার শারীরিকভাবে নির্যাতন করে মেরে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছেন তারা। এঘটনায় গ্রামের অধিকাংশ মানুষের দাবি, শিখাকে তার শশুর বাড়ির লোকজন নির্যাতনের পর হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখেছে। পরে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছে।
এদিকে স্ত্রীর মৃতু্যুর সংবাদ পেয়ে সৌদি আরব থেকে স্বামী রতন হালদার দেশে ফিরে আসেন। তার স্ত্রীর মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার ৮জুন রাতে আমার স্ত্রী শিখার সাথে ভালোভাবে আমার মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে। শুক্রবার সকালে জানতে পারি আমার স্ত্রী আর জীবিত নেই। আমার স্ত্রী শিখাকে আমার বাবা সুনিল হালদার ও চাচা দীলিপ হালদার (৭নং ইউপি সদস্য মেম্বার) নির্যাতন করে মেরে এখন তারা পলাতক রয়েছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
এবিষয়ে স্থানীয় সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড মেম্বার গীতা হালদার বলেন, শিখার মৃতু্যুর বিষয়ে তার স্বামী রতন হালদার ফোনে তাকে জানায়, শিখাকে রতনের বাবা সুনিল হালদার ও চাচা দীলিপ হালদার নির্যাতন করে মেরেছে।
সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় নিহত শিখার মা শারথী হালদারের সাথে তার দাবি, মেয়ে শিখার শশুর বাড়ির লোকজন তার মেয়েকে মেরে ঝুলিয়ে রেখেছে। তিনি তার মেয়ের হত্যাকারীদের ফাঁসি চান। তবে নিহত শিখার তিন বছরের একমাত্র কন্যা সন্তান ঝুমুরকে নিয়ে বাবা রতন এখন দিশেহারা।
এসব বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, ময়না তদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্টের পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *