নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দোহার উপজেলায় জয়পাড়া খালের কচুরিপানা অপসারণে পরিদর্শন করেছে দোহার উপজেলা জামায়াত ইসলাম । শনিবার সকালে দোহার উপজেলার নায়েবে আমীর মাওলানা মো. দলিলুর রহমান, পৌর সভাপতি মো. সাখাওয়াত হোসেন,কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহাব দোহারী, উপজেলা ইসলামি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ওমর ফারুকসহ জামায়াতের নেতাকর্মী উপস্থিত থেকে খালটি পরিদর্শন করেন।
জয়পাড়া খালের পুরোটাই কচুরিপানায় পরিপূর্ণ। কসাই পট্টির বর্জ্য ফেলে খালের একাংশকে ভরাট করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে জামায়াত ইসলামের নায়েবে আমীর মাওলানা দলিলুর রহমান বলেন, কচুরিপানা ও কসাই পট্টির বর্জ্যের কারনে নৌযান চলাচল যেমন বিঘিœত হচ্ছে,পাশাপাশি মশার উপদ্রপ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুসহ সকল বয়সের মানুষেরা। তাই আমরা কচুরিপানা অপসারনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।
পৌর আমির মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, উন্মুক্ত এ খালটি আজ কচুরিপানায় আবদ্ধ হয়ে গেছে। মানুষের অর্থনৈতিক ক্ষতিও হচ্ছে। জনগণের দূর্দশা লাঘবে আমরা এই কচুরিপানা অপসারণ করব।
কুসুমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল ওয়াহাব দোহারী বলেন, জনগণের সকল সমস্যা নিরসনে আপনাদের পাশে আছি। এই সামাজিক কাজের মাধ্যমে আমরা আপনাদের আরো কাছে পৌছাতে চাই। আমরা কাজের মাধ্যমে আপনাদের মন জয় করতে চাই।
ছাত্রশিবিরের সভাপতি ওমর ফারুক বলেন, খালের পানি প্রবাহ সঠিক রাখতে কচুরিপানা অপসারণের বিকল্প নেই। ইসলামি ছাত্রশিবির জামায়াতের সাথে পরামর্শ করে এই খালটির কচুরিপানা অপসারণ করবে ইনশা আল্লাহ।
পথচারী ও এলাকাবাসীর পক্ষে আবু তালেব বলেন, আমরা জয়পাড়াবাসী দীর্ঘদিন খালের কচুরিপানার এই সমস্যাতে জর্জরিত ছিলাম। কচুরিপানা অপসারণের এই উদ্যোগকে আমি জামায়াত ইসলামকে ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানাই।
সেভ দ্যা সোসাইটি আন্ড থান্ডারস্টোম এওয়ারনেস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মো: রাশিম মোল্লাও ইতোমধ্যে এ খালটি পরিদর্শন করেছেন এবং তিনি বলেন, দোহারের রাজনৈতিক দল বা প্রশাসনের উচিত ছিল এমন উদ্যোগ আরো আগেই গ্রহণ করা।
