দোহার-নবাবগঞ্জে হোম কোয়ারেন্টিনে ৪০৭, শেষ হয়েছে ১৫৬ জনের

মো. নাজমুল হোসেন : বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বেশি দ্রুত সময়ে ছড়ানো ভাইরাসটি হলো করোনা। যা পুরো বিশ্বকে প্রায় থামিয়ে দিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞ এবং ডাক্তাররা মনে করছেন কেমল মাত্র কিছু নিয়ম মানলে এবং সচেতন থাকলেই এই ভাইরাস থেকে নিরাপদ থাকা যায়। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকার ভাইরাসটি রোধে নানা রকম উদ্যোগ নিয়েছেন। বিশেষ করে যারা প্রবাসী ছুটিতে বিভিন্ন দেশ থেকে বাড়িতে এসেছেন তাদেরকে বাধ্যতা মূলক ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। যদি কেউ এই নিয়ম না মানে তাকে অর্থদন্ডে দন্ডিত করা হচ্ছে।
দোহার-নবাবগঞ্জ উপজেলায় ৪০৭ জন হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। ১৪দিন হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হওয়ায় ১৫৬ জনকে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে কোন ধরনের করোনার উপসর্গ পাওয়া যায়নি এবং সবাই সুস্থ আছেন।
এব্যাপারে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শহিদুল ইসলাম আজ শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে জানান, নবাবগঞ্জ উপজেলায় গত ৯ মার্চ হতে নিবন্ধিত হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন ৩২৫জন এর মধ্যে ১১৫ জনের হোম কোয়ারেন্টিন (১৪দিন) শেষ হয়েছে এবং সবাই সুস্থ আছেন।
অন্যদিকে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন জানান, দোহার উপজেলায় গত ৯ মার্চ হতে ৮২ জন হোম কোয়ারেন্টিন নিবন্ধন ছিলেন। এর মধ্যে ৩১ জনের ১৪ দিন শেষ হয়েছে। বাকিরা এখনো হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। যাদের ইতোমধ্যে হোম কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে তারা আগে থেকেই হোম কোয়ারেন্টিনে ছিলেন। এছাড়া উভয় কর্মকর্তা অভিযোগ করছেন এদের মধ্যে অনেকেই আমাদের নিয়ম মানছেন না। ফলে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে দন্ড দেওয়া হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *