মো. শাজাহান খান, নুরুল্লাহ: কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দা-বটি-ছুরি-চাপাতি তৈরিতে ব্যস্ত কামাররা। ঢাকার দোহার উপজেলার ফুলতলা নারিশা, মেঘুলা জয়পাড়া বাজারে কোরবানির এসব সরঞ্জাম কিনতে ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে। উপজেলার কামারপল্লীগুলোও দিনরাত টুংটাং শব্দ আর কয়লার গন্ধে এখন মুখরিত।
ঈদ উপলক্ষে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন , দোকানগুলো সাজিয়ে রাখা হয়েছে বটি, দা, চাপাতি ও ছোট-বড় নানান সাইজের ছুরি। ক্রেতারা চাপাতির সঙ্গে ছোট ছুরি কিনছেন পশুর চামড়া ছাড়ানোর জন্য।
মেঘুলা বাজারের গোবিন্দ ও রতন কারিগর জানান, বহু বছর ধরে এই পেশার সঙ্গে জড়িয়ে আছেন তারা। ভিন্ন কিছু করার অভিজ্ঞতা না থাকায় কামারের পেশাই পড়ে রয়েছেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছুর দাম বাড়লেও এ কাজের মান বাড়েনি।
মেঘুলা বাজারের গৌরংঙ্গ জানান, সারা বছর তেমন কাজ না থাকলেও কোরবানি আসলে বাড়ে এর চাহিদা। তাই দম ফেলার ফুরসত পান না কারিগররা। লোহালক্করের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি চাইনিজ পণ্যের আধিপত্যের কারণে চাপে আছেন দেশীয় কামাররা। নতুন দা-বটি তৈরির পাশাপাশি ব্যবস্ততা বেড়েছে পুরনো সরঞ্জাম ধার দেয়ার কাজেও।
নারিশা বাজার কামার শ্রমিক গোরুদা বলেন, গত কয়েক বছর থেকে কয়লা লোহা শান দেওয়ার পাথরসহ সব কাঁচামালের দাম বেড়েছে। আমাদের মুজরির কোনো পরিবর্তন ঘটেনি। কাঁচামালের দাম বাড়লেও তৈরী পণ্য দাম বাড়িয়ে বিক্রি করা যাচ্ছে না।
