স্টাফ রিপোর্টার: মানিকগঞ্জের সিংগাইরে চাঁদা না পেয়ে মোটর সাইকেল ছিনতাই করে নেয়ার সময় মঞ্জুর(৩০) কে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। মঞ্জুর(৩০) উপজেলা চারিগ্রাম ইউনিয়নের জাইল্যা গ্রামের জিন্নত আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার চারিগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাজেদুল আলম স্বাধীনের বাড়িতে ভাড়াটিয়া মানিকনগর গ্রামের শামীম হোসেন দর্জি মাস্টার। সে চারিগ্রাম বাজারের মদিনা টেইলার্সে কাটিং মাস্টারের কাজ করেন। ওই টেইলার্সে কর্মরত শামীমের কাছে উপজেলা চারিগ্রাম ইউনিয়নের জাইল্যা গ্রামের জিন্নত আলীর ছেলে সন্ত্রাসী মঞ্জুর হোসেন(৩০) দীর্ঘদিন ধরে চাদা দাবী করে আসছিল। এরই জেরধরে রবিবার(২৬ই এপ্রিল) সন্ধ্যায় শামীমের ভাড়া বাসায় গিয়ে মঞ্জুর ৫হাজার টাকা চাদা দাবী করেন।
এ সময় শামীম টাকা দিতে অস্বীকার করলে তাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদর্শন করেন। এবং তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তার ডাক-চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে আসে। পরে চেয়ারম্যান বাড়ির তিনরাস্তা মোড়ে গিয়ে মোটরসাইকেলসহ মঞ্জুরকে ধরে ফেলে গণধোলাই দেয় স্থানীয়রা।
এবং সিংগাইর থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মঞ্জুরকে আটক করেন। এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান স্বাধীনের স্ত্রী লিলি আক্তার বাদী হয়ে সিংগাইর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। সোমবার(২৭ই এপ্রিল) সকালে গ্রেফতারকৃত মঞ্জুরকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য আসামী মঞ্জুরের বিরুদ্ধে সিংগাইর থানায় অস্ত্র,মাদক, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। সে যুবলীগের নাম ব্যবহার করে চারিগ্রাম বাজারসহ আশপাশের এলাকায় চাঁদাবাজি করে আসছিল। তার ভয়ে এলাকার কেউ টু শব্দ করতে সাহস পায়না।
ইউপি চেয়ারম্যান সাজেদুল আলম স্বাধীন বলেন, চারিগ্রাম বাজারের প্রায় দোকানদারের নিকট থেকে ২ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নিয়েছে। চারিগ্রাম হাটের ধান ব্যবসায়ী ইউনুস আলীর কাছ থেকে দেড় লক্ষ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে যায়।পরে এলাকার লোকজনের চাপের মুখে কিছু টাকা ফেরৎ দেয়। আমার বাসায় ঢুকে ভাড়াটিয়ার কাছে চাঁদাদাবী করে একপর্যায়ে মোটরসাইকেল নিয়ে যায়। তার আতœীয়স্বজনরা আমাকে হুমকি দিচ্ছে।
