দোহারে ত্রাণ নিয়ে চিত্রলেখা

বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. ইব্রাহীম খলিল : দেশ জাতি ও বিশ্বজুড়ে আজ করোনা মহামারীতে অচল। সবাই এ পরিস্থিতি থেকে অবসান চাচ্ছে। তেমনি ঢাকার দোহারবাসীও এ অবস্থার অবসান চায়। প্রশাসন, পুলিশ কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, র‌্যাবসহ বেশ কিছু সাংবাদিক মাঠে সমাজ সেবক হয়ে গরীব-দুঃখীদের পাশে আছে।

কিন্তু ত্রাণসামগ্রী বিতরণে দেখা দিয়েছে অনিয়ম। অভিযোগ উঠেছে করোনার দুঃসময়ে দেশের ক্লান্তিলগ্নে ত্রাণসমাগ্রী নিয়েও অবহেলা অনিয়ম এবং চুরির অভিযোগও দেশব্যপি খবর আসছে। তাই বলি চুরে মানে না ধর্মের কাহিনী। তাই বঙ্গবন্ধু ৭২’এ দেশে এসে বলেছিল, চাটুকার চুরারা সব খেয়ে ফেলেছে, আমার কম্বলটা কোথায় ? আজকের এই দিনে যেন এমনটি না হয়। তাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাওকেই ছাড় দেবে না বলে ঘোষণা দিয়েছে। শেখ হাসিনা-শেখ হাসিনাই।

রাষ্ট্রের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ও জাতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে আর্থিক প্যাকেজসহ ত্রাণসামগ্রীর ঘোষণা দিয়েছেন। এখানে যেনো কোনো প্রকার অনিয়ম না হয় সেজন্য সাংবাদিক, সমাজ সেবককর্মী, সাহসী ত্যাগী বীর মুক্তিযোদ্ধা সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় মহান উজ্জীবিত রাখার লক্ষে এ ভয়াবহ নির্মম পরিহাসের মোকাবেলায় গরিব দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে আত্মমানবতার সেবক হয়ে পাশে দাড়ানোর আহবান জানাই। পাশাপাশি সকল মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানিভাতা থেকে প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধার ভাতা থেকে এক হাজার টাকা পরিমান দেশের এই ক্লান্তিণগ্নে ত্রাণসমাগ্রী বাবদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তহবিলে প্রধান করা উচিৎ বলে আমি মনে করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *