নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ক্রমেই বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যসহ বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম । আর তা ক্রয় করতে মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস শুরু হয়ে গেছে। নিত্যপণ্যের দামের লাগাম টানতে না পারলে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হতে পারে হতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষ।
শুক্রবার সকালে জয়পাড়া বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, ডিমের দাম হালি প্রতি ৫ টাকা কমলেও চাল , তেল, ডাল, চিনি , লবনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বেশি দামে বিক্রি করছে বিক্রেতারা। চাল এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে প্রতি ৫০ কেজির বস্তা ৫০০ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডালের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি প্রায় ৩০ টাকা। মশুরী ডাল ৬৫টাকার বদলে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা আর ৭০ টাকার খেসারী ডাল বিক্রি হচ্ছে ১০০টাকায়।
সরকার নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক বললেও ব্যবসায়ীরা বলছেন ভিন্ন কথা।
এ সময় বিক্রেতাদের সাথে কথা বললে তারা জানান, ‘আমাদের সব মালামাল আসে নারায়ণগঞ্জ থেকে। নারায়ণগঞ্জে করোনা সনাক্ত হওয়ার পর থেকে গাড়ী আসতে দিচ্ছে না’।
আর লবন বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। ভোজ্য তেল খোলা সয়াবিন ৯০ টাকা থেকে বেড়ে ১০০ টাকা আর ক্যান প্রতি লিটারে বেড়ে হয়েছে ১১০টাকা। ছোলা প্রতি কেজিতে বেড়েছে ১০টাকা।
রমজান মাসকে সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আরো বাড়বে বলে আশঙ্ক করা হচ্ছে। এমনিতেই কাজকর্ম, কলকারখানা বন্ধ থাকায় কর্মহীন ও বেকার হয়েছে পড়েছে দেশের মানুষ, তারমধ্যে জিনিসপত্রের দাম বাড়ায় নাভিশ্বাস শুরু হয়ে গেছে খেটে খাওয়া ও মধ্যবিত্ত মানুষের।
এ ব্যাপারে জয়পাড়া বাজারের একজন ব্যবসায়ী জানান, গাড়ী চলাচল স্বাভাবিক করতে না পারলে আরো বাড়তে পারে নিত্য প্রয়োজনীয় এসব জিনিসপত্রের দাম। তবে ক্রেতারা জানান, নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত ও সেনা সদস্যরা বাজার মনিটরিং করলে বাড়াতে পারবে না এসব জিনিসপত্রের দাম।
