ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় জুয়েল নামে এক প্রবাসীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী ঝুমানা আক্তারের বিরুদ্ধে। রবিবার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামে বসতঘর থেকে জুয়েলের দ্বগ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয় স্ত্রী ঝুমানা আক্তারকে। জুয়েল নয়ানগর গ্রামের মৃত আজহার উদ্দিনের ছেলে।
নিহতের পরিবার জানান, প্রায় ৮ বছর আগে বাহরাইন প্রবাসী জুয়েলের সাথে ঝুমানার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে ৬ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। তবে বিয়ের পর জুয়েল বিদেশ চলে যাওয়ার পর পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ঝুমানা। ২ মাস আগে বাহরাইন থেকে জুয়েল দেশে আসার পর স্ত্রীর পরকীয়া ও উচ্ছৃঙ্খল চলা ফেরা নিয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল।
রবিবার রাতে প্রতিবেশীরা ঘর থেকে ধোঁয়া দেখে চিৎকার দিলে এলাকাবাসী এগিয়ে আগুণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে খাটের উপর থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করেন।
পরিবার অভিযোগ করে বলেন, ঝুমা বেগম তার সহযোগীদের নিয়ে পরিকল্পিতভাবে জুয়েলকে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করেছে। পরবর্তীতে নিহতের শরীরের আগুন ধরিয়ে ঘটনাকে অন্যদিকে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন। এ সময় তারা ঝুমানা ও তার সহযোগিদের বিচার দাবি করেন।
নবাবগঞ্জ থানার ওসি মমিনুল ইসলাম জানান, আলামত থেকে বোঝা যাচ্ছে, হত্যাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতেই পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানো হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
