ঢাকার দোহার উপজেলায় পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অপরাধে ১৮ জনকে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও ৩ জনকে কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের আটকের পর এ দণ্ড দেন দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলোরা ইয়াসমিন।
জানা যায়, পদ্মা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন ও বিক্রি করে আসছে একটি চক্র। সোমবার উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়নের বাহ্রা ঘাট, অরঙ্গবাদ, সুতারপাড়া ইউনিয়নের মধুরচর বটতলা ও কৃষ্ণদেবপুর এবং নারিশা ইউনিয়ন সংলগ্ন পদ্মা নদীতে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর আওতায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় নদীতে অপরিকল্পিতভাবে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির অপরাধে ১টি ড্রেজার মেশিন জব্দ করা হয়। পাশাপশি ১৮ জনকে ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড ও ৩ জনকে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যামাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
অভিযানে সহযোগিতা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মামুন খান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, দোহার থানা পুলিশ, কুতুবপুর নৌ-পুলিশ ও আনসার বাহিনী।
দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইলোরা ইয়াসমিন বলেন, অভিযান পরিচালনাকালে সংশ্লিষ্ট সকলকে পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি নদীর ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ, মৎস্য ও জলজ প্রাণী তথা জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়নের স্বার্থে দোহার উপজেলার আওতাভুক্ত পদ্মা নদীতে নিয়মিত অভিযান ও মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।
