ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার তেলেঙ্গা গ্রামে হেলাল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অসহায় এক নারীর জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। রাতের অন্ধকারে দলবল নিয়ে অবৈধভাবে গভীর রাত থেকে তেলেঙ্গা এলাকায় ফিরোজা ও প্রবাসী আ. রহিমের দখলীয় জায়গা হেলাল উদ্দিনের অনধিকার প্রবেশ ও দলবল নিয়ে এসে বাউন্ডারি টিনের বেড়া ও আধা পাকা টিনশেঠ ঘর তৈরি করা শুরু করেন।
জায়গার মূল মালিক ফিরোজা তিনি একা বাড়িত থাকেন। তার স্বামী ছেলে বিদেশে থাকায় সুযোগে হেলাল ঐ জমিটি দখলে নেন। এবিষয়ে হেলালকে বলা হলে তিনি দলবল দিয়ে তাদের মারার হুমকি দেন।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। জানা যায় তিনি (হেলাল) দিনের পর দিন নানা অপকর্ম অপরাধ মূলক কাজ করেই যাচ্ছেন।
ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার কলিয়াইলে মৌজা-কলিয়াইল,জে.এল নম্বর-সিএস.১৫৯ নং, এসএ.১৩১ নং, আরএস.১১৯ নং খতিয়ান নম্বর-সিএস.১৫৬২ নং, এসএ.১৫২১ নং, আরএস.৩৬৫ নং খতিয়ানভুক্ত, নামজারী খতিয়ান নং-২৮৬১ ও ৪৩৫২, জোত নং ২৮৬১ ও ৪৩৫২ দাগ নং-সিএস ও এসএ-৪৩১, আরএস.৫১৫ নং দাগ নাল ৬০ শতাংশ ইহার কাতে পশ্চিম ছাহাম হইতে ৫০ শতাংশ ডিক্লারেশন অব হেবাকৃত দলিলে মালিক ফিরোজা।
সম্পত্তির চৌহদ্দিতে উত্তরে হেলাল উদ্দিন দক্ষিণে খাল, পূর্বে ফালান পশ্চিমে সরকারি রাস্তা ও ফিরোজার অংশ। মূল জায়গার মালিক ফিরোজা স্বামী-আ. রহিম। জমির পরিমাণ ৬০ শতাংশ এর কাতে সাড়ে ৫০ শতাংশ জমি এর মালিক তিনি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মূল জায়গার মালিক ফিরোজা তার স্বামী-রহিম ও তার ছেলেরা সবাই প্রবাসী। তারা দেশের বাইরে থাকেন। তাদের অনুপস্থিতিতে মহিলা ফিরোজা ঐ বিষয়টি নিয়ে নবাবগঞ্জ থানায় গিয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে ঐ জায়গায় দখল করা তান্ডব নীলা তাৎক্ষনিক বন্ধ করে দেন সাথে হেলাল কে ঐ জমিতে না যেতে বলেন। পরবর্তী সময়ে অবৈধ কাজের মূল পরিকল্পনাকারী হেলাল উদ্দিন গং তার অবৈধ শক্তি খাটিয়ে পুলিশ যাওয়ার পর রাতের অন্ধকারে সেই বাউন্ডারি ও একটি সেমি ওয়াল পাকা ঘরের কাজ শুরু করেন। পুলিশ বাউন্ডারী করার কাজ না করার জন্য বন্ধ করতে বলেন। পুলিশের কথা অমান্য করে ভুমিদস্যু হেলাল তার সাথে থাকা তারই সাঙ্গুপাঙ্গু সহ আরো কয়েকজন মিলে ঐ জমিটি রাতের বেলায় দখলের জন্য বাউন্ডারির কাজ শেষ করেন। অবৈধভাবে জমিটি জোর জবরদস্তি দখল নিয়ে ঘটনাটি জানতে সাংবাদিকরা হেলালের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে কল দিলে তার স্ত্রী ফোন রিসিভ করেন। তিনি বলেন আপনি নবাবগঞ্জের জাকির ও বাহ্রা ইউপি চেয়ারম্যানের কাছ থেকে জেনে নিন। আমরা বলব না।
জমির মালিক আমরা এরপর হেলালের কথায় তিনি আরো বলেন, সে তো বাসায় নেই, একটু হাটতে গেছেন। এরপর পুনরায় কল দিলে ফোন নাম্বাটি ব্যস্ত করে রাখেন। পুরো বিষয়টি নিয়ে নবাবগঞ্জ থানা পুলিশ বলেন,আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের ভিত্তিতে সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করা হয়েছে। এবিষয়ে স্থানীয়রা জানান তার হেলালের অপকর্মের বিচার আমরা দাবি জানাচ্ছি। তিনি ইদানিং এতোই বেপরোয়া হয়ে পড়েছে যে,তিনি প্রায়ই মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করেন। যার কারনে তেলেঙ্গা বাসী অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এবিষয়ে জমির মালিকের ভাই অভিযোগ সম্পর্কে বলেন, আমার ভায়ের জমি অবৈধভাবে হেলাল তার দলবল নিয়ে রাতে বাউন্ডারি ওয়ালের কাজগুলো তিনি করেছেন। অতএব আমরা তার জুলুম অত্যাচার থেকে রেহাই পেতে সালমান এফ রহমান এমপির হস্তক্ষেপ চাই।
