ঢাকা জেলার অন্তর্গত দোহার উপজেলার কৃতি সন্তান সাবেক সফল ছাত্রনেতা,মোঃ জয়নাল আবেদীন কে তৃতীয়বার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গভেষণা বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য নির্বাচিত করায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু তনয়া,মানবতার বাতিঘর ,দেশরত্ন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী জননেতা জনাব ওবায়দুল কাদের ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ কে প্রাণ ঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
গত ০৮.০৬. ২০২৪ ইং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী জননেএী শেখ হাসিনা নির্দেশক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জননেতা ওবায়দুল কাদের উক্ত কমিটি অনুমোদন করেন।
এক নজরে মো. জয়নাল আবেদীনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনঃ
সাহসী, নির্ভীক, পরীক্ষিত সাবেক ছাত্রনেতা জয়নাল আবেদীন,তিনি ১৯৯০ সালে জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রাজনীতিতে শুভ সূচনা করেন। নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে পর্যায়ক্রমে দোহার উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক।
নিজ যোগ্যতার বলে ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন, সেই কমিটির সভাপতি ছিলেন পনিরুজ্জামান তরুন। এরপর ছাত্রত্ব এবং ছাত্ররাজনীতির পাঠ চুকিয়ে, ঢাকা জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। জয়পাড়া কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক থাকাকালীন ১৯৯২ সনে, ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সাথে একাত্বতা পোষণ করে, ৭১ সালের ঘাতক রাজাকার আলবদর আল শামসদের বিচারের দাবীতে শ্লোগান দিতে গিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহী মামলার আসামি হন। ১৯৯৩ সালে বিএনপি সরকারের দমননীতি চালানোর কালো আইন সন্ত্রাসদমন আইনে মামলার আসামি হন এবং কারাবরণ করেন। ২০০১ সালে সালমান রহমানের পক্ষে নৌকার নির্বাচন করার অপরাধে তিনি, পিতা ও ছোট ভাইসহ একাধিক মামলার আসামি হন।
এছাড়াও জয়পাড়া কলেজ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে,নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন। চারদলীয় জোট সরকারের মন্ত্রী নাজমুল হুদার অত্যাচারে দেশে টিকতে না পেরে ২০০৫ সালের ১১ এপ্রিল লন্ডনে চলে যান। দূর প্রবাসে গিয়েও তিনি বুকের মাঝে মুজিব আদর্শকে লালন করেছেন এবং সক্রিয় রাজনীতি করেছেন,নিষ্ঠা ও প্রজ্ঞার সাথে স্কটল্যান্ড আওমীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দ্বায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে ঢাকাজেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য পদে দলের জন্য কাজ করছেন। রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রী হোল্ডার ৯০ দশকের সফল এই মেধাবী ও ত্যাগী ছাত্রনেতার যথাযোগ্য মর্যাদায় পদায়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট দোহার উপজেলাবাসী কৃতজ্ঞ।
