নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ইলিশের প্রজনন নিশ্চিতে প্রধান প্রজনন মৌসুৃমে দেশের নদনদীতে ইলিশ আহরন নিষিদ্ধ। গত ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ আহরনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। অথচ এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দোহারের পদ্মা নদীতে ইলিশ শিকারের অন্যতম নেতা মোহন(৪৬) মিয়াকে আটক করেছে দোহার থানা পুলিশ।
মঙ্গলবার রাত পৌনে ৮টার দিকে উপজেলার মেঘুলা পদ্মার পাড় থেকে মোহনকে হাতেনাতে আটক করেন সাইনপুকুর তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পরিদর্শক মো.সুমন হোসেন। আটক মোহন মিয়া উপজেলার মধুরচর গ্রামের আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুৃমে দোহারের পদ্মা নদীতে ইলিশ আহরন ও মজুদকরন এবং অর্ধশতাধিক ফড়িয়া জেলেদের নিয়ে রাতে নদীতে ইলিশ শিকারের গুরু এই মোহন। এছাড়াও তিনি এই নিষেধাজ্ঞা চলাকালিন সময়ে জেলেদের নদীতে মাছ শিকারের প্রলুব্ধ করতে নিজেকে নেতা হিসেবে জাহির করেন।
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল বলেন, আটক মোহন মিয়া ইলিশের আহরনের নিষেধাজ্ঞা চলাকালে তার ভাই,ভাতিজাসহ দোহারের পদ্মা নদীতে জেলেদের রাতে মাছ ধরতে এবং প্রশাসনকে ম্যানেজ করার নামে জনপ্রতি ১২ শ টাকা চাঁদা আদায় করা হচ্ছে- এমন সংবাদে পুলিশ পাঠিয়ে মোহনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। বিষয়টি ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) মো.মামুন খানকে অবহিত করা হলে তার নির্দেশে তাকে আটক করা হয়।
এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নাম প্রকাশ করার শর্তে জানান,মোহন মিয়া প্রতিরাতে জেলেদের কাছ থেকে ১২’শ বাবদ আদায় করতো।জেলেদের শিকার করা ইলিশ মাছ পদ্মার চরে মাটি খুড়েঁ বড় গর্ত করে লবন ছিটিয়ে মাছজাত করতেন।পরের দিন সুযোগ বুঝে তা বিক্রেতাদের নিকট সরবরাহ করতেন।
এ বিষয়ে জানতে চেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভুমি) মো.মামুন খানের মোবাইলে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার মন্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
