নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় বখাটের টেটাঁর আঘাতে ৩ জন আহত হয়েছে। রবিবার রাতে উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের নয়ানগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তাভোগীদের অভিযোগ চাঁদা না দেওয়ায় তাদের উপর হামলা করেছে বখাটেরা। এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর বখাটেরা পলাতক রয়েছে। আহতরা হলেন নয়ানগর গ্রামের বিল্লাল ভূঁইয়া, তার ছেলে সাঈদ ভূঁইয়া ও ভাই ইয়াকুব ভূঁইয়া।
আহত বিল্লাল ভূঁইয়া অভিযোগ করে বলেন, কিছুদিন যাবত স্থানীয় আ. মান্নানের ছেলে শেখ রতন তাদের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছিলেন। রবিবার দুুপরে তার মেয়ের গাঁয়ে হলুদের অনুষ্ঠানে এসে রতন এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তখন টাকা না দেওয়ায় প্রায় রাত ৯ টার দিকে রতন সহযোগিদের নিয়ে পূণরায় এসে টাকা দাবি করে এবং টাকা না দেওয়ায় তাকে মারধর করে। তার ডাকচিকিৎসা ভাই ইয়াকুব ও ছেলে সাঈদ এগিয়ে এলে রতন তার হাতে থাকায় টেঁটা দিয়ে ইয়াকুবকে ও সাঈদকে আহত করে। পরে তারা নিরুপায় হয়ে ৯৯৯’ এ কল দিলে পুলিশ এসে তাদের উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এসময় দুইটি টেটাঁ জব্দ করেন পুলিশ।
এঘটনায় শেখ রতন, তার ভাই শেখ মানিক, বাবা আ. মান্নান, ভাগিনা রাসেল ও রিপনকে আসামী করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে আহত বিল্লাল।
প্রত্যক্ষদর্শী নাঈম বলেন, একটু হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো। রতন আমাদের সামনে টেটাঁ নিয়ে তাদের উপর হামলা করেছে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত শেখ রতন বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। উল্টো আমাকে ও আমার স্ত্রীকে বিল্লাল ও তার পরিবার মেরে আহত করেছে।
জানা যায়, শেখ রতন নিজের নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে পরিচয় দেন।
এব্যাপারে নবাবগঞ্জ থানার উপ-পরির্দশক (এসআই) কাজী নাসের বলেন, এঘটনায় বিল্লাল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে তদন্ত চলছে। মামলা রুজু হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
