সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি : অতি আদর করে ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা গরুর নাম রেখেছেন ‘সিনবাদ’। গরুর রং সাদা পাকরা ও জাহাজের সাথে তুলনা করে এর নাম রেখেছেন খামারি। মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌর এলাকার আজিমপুর গ্রামে এক খামারে মাত্র সাড়ে ৩ বছরে ৩০ মণ ওজনের এ বিশাল ষাঁড় বেড়ে উঠেছে। বেড়ে উঠা ষাঁড়টি কোরবাণীর ঈদে বিক্রির উপযোগী করে তুলেছেন খামার মালিক পৌর মেয়র আবু নাঈম মো. বাশার।
বিদেশী জাতের এ ষাঁড়টি গত সাড়ে ৩ বছর আগে থেকে নিয়মিত পরিচর্যা করে গড়ে তুলায় যার ওজন হয়েছে এখন প্রায় ৩০ মণ। ষাঁড়টি বিশাল হওয়াতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন দেখার জন্য ভিড় জমাচ্ছেন।
খামারির মালিক পৌর মেয়র আবু নাঈম মো. বাশার বলেন, পরম মমতায় সাড়ে ৩ বছর ধরে ষাঁড়টি যত্ন সহকারে লালন পালন করে আসছি। আমি ষাঁড়টিকে “সিনবাদ” বলে ইঙ্গিঁত করলে তাতে সে সাড়া দেয়। প্রতিদিন প্রায় ৩০ কেজি কাঁচা ঘাস, ছুলা, ভুট্টা, ডাবরী, বুসি, খড় ও সবরী কলা খেতে দেওয়া হয়। দিনে ২-৩ বার গোসল করানো হয়। নিয়মিত পশু চিকিৎসকের পরামর্শেই চলে ‘সিনবাদের’ দেখাশোনা। আশানুরূপ ষাঁড়টির মূল্যে পেলে আমার পরিশ্রম স্বার্থক হবে বলে জানান তিনি।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডা. ফারুক আহাম্মদ বলেন, আমার এ উপজেলায় এক হাজার দু,শত টি খামারের মধ্যে বিশাল আকারের এ ষাঁড়টিকে সব সময় নজর দাড়িতে রাখা হয়েছে। উন্নত জাতের ষাঁড়টি সাদা পাকরা রংয়ের হলিষ্টিন ফ্রিজিয়ান ক্রোচ জাতের। প্রাকৃতিক উপায়ে ষাঁড়টি লালন পালন করেছেন খামারের মালিক পৌর মেয়র আবু নাঈম মো.বাশার।
