অনলাইন ডেস্কঃ শীতের আমেজ বেড়েছে কম্বল আর লেপ-তোসক বিক্রি। কিছুটা সরগরম হয়ে উঠেছে সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের কম্বল পল্লী। ব্যস্ত সময় পার করছে কম্বল তৈরির কারিগররা। উপজেলার শিমুলদাইড়, ঢেকুরিয়া, কুনকুনিয়া, ছালাভরাসহ বেশ কয়েকটি গ্রামে গড়ে উঠেছে কম্বল তৈরির কারখানা। ছোট-বড় সব মিলিয়ে শতাধিক কারখানায় দিনরাত তৈরি হচ্ছে বাহারী কম্বল। প্রায় দুই যুগের বেশি সময় ধরে গড়ে ওঠা এ শিল্পের গুনগত মান ভাল হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এখানে আসছেন পাইকাররা বলে জানান ব্যবসায়ী। সিরাজগঞ্জ কাজিপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ হাসান সিদ্দিকী বলেন, উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি পত্র দিব যাতে সব উপজেলার ব্যবসায়ীরা এখান থেকে কম্বল সংগ্রহ করে। এতে কাজি পুরের ব্যবসায়িদের ভাগ্যর উন্নয়ন হবে। শীতের আগাম বার্তায় উত্তরের জেলা লালমনিরহাটেও শুরু হয়েছে লেপ-তোষক তৈরির ধুম।শহরের প্রতিটি দোকানে তৈরি হচ্ছে এসব সামগ্রী।
তবে গত বছরের তুলনায় তুলার দাম বেশি হওয়ায় খরচ বেড়েছে লেপ তোষক তৈরিতে এমনিটি জানান ব্যবসায়ীরা। লালমনিরহাট জেলায় অন্তত ৫ হাজার মানুষ এই পেশায় নিয়োজিত।
