মো. কামাল হোসেন : দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মাঝেও রমজানকে ঘিরে ১ টাকা লাভে পণ্য বিক্রি শুরু করেছেন দোহারের মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের দোকানি মজিবুর রহমান । মূলত অন্য ব্যবসায়ীদের রমজানে বেশি মুনাফা না করে সামান্য লাভে পণ্য বিক্রিতে উৎসাহিত করতেই তার এ উদ্যোগ। রবিবার তার দোকান মায়ের দোয়া স্টোরে গেলে ক্রয় মূল্যের চেয়ে তাকে মাত্র ১ টাকা লাভে রমজানের খাদ্যসামগ্রী বিক্রি করতে দেখা যায়। স্থানীয়রা জানান, মজিবুর রহমান তার দোকানে ১ টাকা লাভে রমজানের খাদ্যসামগ্রী বিক্রি করেছে। তিনি অন্য অন্য ব্যবসায়ীদের কাছে উদাহরণ হতে কম দামে পণ্য বিক্রির উদ্যোগ বজায় রেখেছেন। বর্তমানে তিনি ১ টাকা লাভে প্রতি কেজি ছোলা বিক্রি করছেন ১০২ টাকা, খেসারি ১০৮ টাকা, চিড়া ৫৬ টাকা, চিনি ১৪২ টাকা, বেসন ৮৩ টাকা, মুড়ি ৭০ টাকা, খেজুর ২৮০ টাকা দামে বিক্রি করছেন।
স্থানীয়রা বলছেন, বাজারে সব দোকানের চেয়ে কম দামে রমজানের পণ্য বিক্রি করার বিষয়টি সবার নজর কেড়েছে। দূর-দূরান্ত থেকেও এখানে পণ্য কিনতে এসে মধ্যবিত্ত ও অসহায়রা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। অন্যান্য বড় ব্যবসায়ীদেরও মুনাফা কমিয়ে সমাজের প্রয়োজনে এই রমজানে এগিয়ে আসা উচিত বলে সবাই মনে করছেন। ব্যবসায়ী মজিবুর রহমান বলেন, সমাজের মানুষের উপকারের কথা চিন্তা করেই এ বছর থেকে ১ টাকা লাভে পণ্য বিক্রি শুরু করে দেই। সাধ্যের মধ্যে থেকে মানুষের জন্য নিবেদিত হতে পেরে নিজেরও ভালো লাগছে। এখান থেকে পণ্যসামগ্রী ক্রয় করে উপকৃত হচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, উদার মানসিকতার প্রত্যেক ব্যবসায়ীর প্রতি অনুরোধ থাকবে। যাতে তারাও ১ টাকা লাভে পণ্য বিক্রি করেন। তাহলে অসহায়, মধ্যবিত্ত ও গরিব মানুষজন এই রমজানে পণ্য কিনে কিছুটা স্বস্তি পাবেন। তাই সবাইকে যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানাচ্ছি। প্রতি বছরই এ ধারা অব্যাহত থাকবে ইংশাআল্লাহ। ক্রেতা মো. রাসেল মৃধা জানান,” মজিবুর ভাইয়ের দোকান থেকে কম দামে পন্য ক্রয় করতে পেরে সাধারণ মানুষ খুশি। আমরা ও খুশি। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহমান জানান, ১ টাকা লাভে পন্য বিক্রি করছেন মজিবুর রহমান। তার উদ্যোগ কে আমরা স্বাগত জানাই। তিনি প্রতিবছর ই যেন এ উদ্যোগ নেন। মজিবুর রহমানের মতো সকল দোকানদাররাই এমন উদ্যোগ নিক এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।
