দোবার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি : ঢাকার নবাবগঞ্জের ইছামতি নদীর ১০টি পয়েন্টে কচুরিপানা অপসারণ ও সবজি চাষ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সকালে ইছামতি নদীর কচুরিপানা অপসারণ কমিটি, সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরাম ও নৌকাবাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির উদ্যোগে উপজেলার নয়নশ্রী ইউনিয়নের রামনগর ও খানেপুর পয়েন্টে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ড. আবুল হোসেন খন্দকার। তিনি বলেন, মা-বাবা যেমন আমাদেরকে আদর সোহাগ করে বড় করে, নদীও ঠিক তেমনি আমাদেরকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে বড় করে। ইছামতি নদীকে রক্ষা করতে আমাদের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। আমাদেরকে নিজেদের আরো অনেক সচেতন হতে হবে নদীতে ময়লা আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে।
এসময় মৃত প্রায় ইছামতি নদীতে বাঁচাতে সোনাবাজু-কাশিয়াখালী বেড়িবাঁধ ও কার্তিকপুরে নদীর মূল অংশে প্রয়োজনীয় স্লুইচগেট স্থাপন ও কচুরিপানা অপসারণের দাবি জানান ইছামতি নদীর কচুরিপানা অপসারণ কমিটির সমন্বয়ক রাশিম মোল্লা। তিনি বলেন, প্রাথমিক ভাবে ইছামতি নদীর ১০ টি পয়েন্টের কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পয়েন্ট গুলো হলো তুইতাল, দাউদপুর, বারুয়াখালী, শিকাড়ি পাড়া, জয় কৃষ্ণপুর কার্তিকপুর, বান্দুরা, দেওতলা গোল্লা ইত্যাদি।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বারুয়াখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সমাজকর্মী মোহাম্মদ মোহাম্মদ আলম, নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. হরগোবিন্দ সরকার অনুপ, নবাবগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি জহিরুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক আজহারুল হক, খালিদ হোসেন সুমন, নয়নশ্রী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক শারজাহান মোল্লা, একুশে ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের সভাপতি মোস্তাক আহমেদ, নৌকা বাইচ ঐতিহ্য রক্ষা জাতীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক দুলাল দেওয়ান সহ আরো অনেকে।
